Dhaka, Bangladesh
    বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৯
    ২৩ Rabi' I, ১৪৪১
    ওয়াক্তসময়
    সুবহে সাদিকভোর ৪:৫৭ পূর্বাহ্ণ
    সূর্যোদয়ভোর ৬:১৬ পূর্বাহ্ণ
    যোহরদুপুর ১১:৪৪ পূর্বাহ্ণ
    আছরবিকাল ২:৫০ অপরাহ্ণ
    মাগরিবসন্ধ্যা ৫:১২ অপরাহ্ণ
    এশা রাত ৬:৩০ অপরাহ্ণ
Facebook By Weblizar Powered By Weblizar

সাহিত্য ও সংস্কৃতি

১১৯ বছর বন্ধ থাকা মসজিদ চালু করল তুরস্ক

অটোমান যুগে (উসমানীয় খেলাফতের সময়) নির্মিত তুরস্কের পূর্বাঞ্চলীয় এলাজিগ প্রদেশের একটি মসজিদ দীর্ঘ ১১৯ বছর পর পুনরায় খুলে দেয়া হয়েছে।

বুধবার নামাজ আদায়ের মাধ্যমে স্থানীয় প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে মসজিদটি উদ্বোধন করেন। খবর ডেইলি সাবাহ।

৪৫০ বছর আগে নির্মিত দাবাখান মসজিদ বিগত ১১৯ বছর বন্ধ ছিল। বন্ধ থাকা এ মসজিদটি এর আগে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছিল। হারপুত জেলা কর্তৃপক্ষ ঐতিহ্যবাহী দাবাখান মসজিদ পুনর্নির্মাণের লক্ষ্যে ব্যাপক সংস্কার করে।

দীর্ঘ সময় পর চালু হওয়া মসজিদদে নামাজ আদায় করে হারপুত জেলার মেয়র মুকাহিত ইয়ামলমাজ সাংবাদিকদের বলেন, তারা হারপুতের চার হাজার বছরের সভ্যতা ও সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি ঐতিহাসিক দিনের সাক্ষী হয়ে থাকলেন।

তিনি বলেন, ‘দাবাখান মসজিদটি ১১৯ বছর পর পুনরায় চালু হওয়ায় আমরা গর্বিত।’

সপ্তদশ শতকের অটোমান স্থাপত্যের নিদর্শন এ মসজিদটি হারপুত দুর্গের উত্তর-পূর্বে অবস্থিত। বড় একটি একক গম্বুজ বিশিষ্ট ২৫ বর্গফুটের এ মসজিদটি

ধারণা করা হয়, কয়েক শতাব্দী আগে দাবখানে মসজিদটি ঐতিহাসিক সিল্ক রোডের যাত্রীরা নামাজ আদায়ের জন্য ব্যবহার করতেন।

ঐতিহাসিক হারপুত শহর প্যালিওলিথিক যুগে ফিরে যাওয়া প্রাচীন বসতিগুলোর আবাসস্থল। ২০১৮ সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী তালিকায় এ শহরকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা,
সবার উপর আল্লাহর শান্তি ও দয়া বর্ষিত হোক।
আজকে আমরা আলোচনা করবো কিভাবে বাংলাদেশের ৮টি বিভাগ এবং ৬৪টি জেলা খুব সহজে মনে রাখতে পারবো তার কিছু সহজ টেকনিক।

প্রথমে বাংলাদেশের ৮টি বিভাগকে মনে রাখতে সহজ কিছু বাক্য মুখস্ত রাখতে হবে এগুলো যদি মনে রাখা যায় তাহলে ৬৪টি জেলা খুব সহজে মনে রাখতে পারবে ইনশাআল্লাহ।

♥ বাংলাদেশের ৮টি বিভাগ♥
এবং
♦৬৪টি জেলা খুব সহজে মনে রাখার কৌশল।

#১. চট্টগ্রাম : ব্রাহ্মণ কুমিল্লার লক্ষীকে চাঁদে নেয় ফিরনী চকবার খায়।

#২. রাজশাহী : চাঁপাবাজ নাসির।

#৩. ঢাকা : কিগো শরীফের মা, মামু রানা গাজীঢানা টাকা রাখে সিন্ধুকে।

#৪. খুলনা : মা মেয়ে ঝিয়ে সাত বাঘ খুন করে নড়াইয়া যশোরের ডাঙ্গায় ফেলে।

#৫. সিলেট : মৌলভীর হবিগঞ্জে সুনাম ছিল।

#৬. বরিশাল : পপির ২ বর ঝাল ভালোবাসে।

#৭. রংপুর : পঞ্চ ঠাকুর লাল নীল রং এর কুড়িটি গাই দিল।

#৮. ময়মনসিংহ : নেত্রকোনার জাম শেরা।

চলো মূল আলোচনায়…

#১. চট্টগ্রাম : ব্রাহ্মণ কুমিল্লার লক্ষীকে চাঁদে নেয় ফিরনী চকবার খায়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, লক্ষীপুর, চাদঁপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি এবং খাগড়াছড়ি।

#২. রাজশাহী : চাঁপাবাজ নাসির।
চাপাইনবাবগঞ্জ,পাবনা, বগুড়া, জয়পুরহাট, নওগা, নাটোর, সিরাজগঞ্জ এবং রাজশাহী।

#৩. ঢাকা : কিগো শরীফের মা, মামু রানা গাজীঢানা টাকা রাখে সিন্ধুকে।
কিশোরগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, শরিয়তপুর, ফরিদপুর, মাদারীপুর, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, রাজবাড়ী, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, ঢাকা, টাঙ্গাইল এবং নরসিংদী।

#৪. খুলনা : মা মেয়ে ঝিয়ে সাত বাঘ খুন করে নড়াইয়া যশোরের ডাঙ্গায় ফেলে।
মাগুরা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, বাঘেরহাট, খুলনা, কুষ্টিয়া, নড়াইল, যশোর এবং চুয়াডাঙ্গা।

#৫. সিলেট : মৌলভীর হবিগঞ্জে সুনাম ছিল।
মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ এবং সিলেট।

#৬. বরিশাল : পপির ২ বর ঝাল ভালোবাসে।
পটুয়াখালী, পিরোজপুর, বরগুনা, বরিশাল, ঝালকাঠি এবং ভোলা ।

#৭. রংপুর : পঞ্চ ঠাকুর লাল নীল রং এর কুড়িটি গাই দিল।
পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা এবং দিনাজপুর।

#৮. ময়মনসিংহ : নেত্রকোনার জাম শেরা।
নেত্রকোনা, জামালপুর, ময়মনসিংহ এবং শেরপুর।

সবাই ভালো ও সুস্থ থাকুন এই কামনায়।

মূল সূত্র: (ইন্টারনেট)
পরিমার্জন : মো: আবু বকর সিদ্দিক। 
শিক্ষার্থী: ফিকহ ও আইনে অধ্যায়ণরত।

এবার শক্তিশালী ব্যাটারি ব্যাকআপসহ ‘নকিয়া ১০৬’ মডেলের নতুন মোবাইল ফোন নিয়ে আসছে এককালের বাজার সেরা মোবাইল ফোন কোম্পানি ‘নকিয়া’।

নকিয়া ১০৬ এ রয়েছে একটি এক দশমিক আট ইঞ্চি ‘কিউকিউভিডিএ টিএসটি’ ডিসপ্লে আর আট জিবি ইন্টার্নাল স্টোরেজ। এই স্টোরেজে আপনার পছন্দ মতো কয়েকশো এমপি থ্রি বা মিউজিক ফাইল সংরক্ষণ করে রাখতে পারবেন মাইক্রো ইউএসবি পোর্টের সাহায্যে। এরই সঙ্গে এই ফোনে রয়েছে এফএম রেডিওর সুবিধাও। এরই সঙ্গে নকিয়া ১০৬ ফোনে রয়েছে এলইডি ফ্ল্যাশ লাইট।

এইচএমডি গ্লোবাল কোম্পানির তৈরি নতুন এই ফোনে প্রি-লোডেড থাকবে একাধিক আকর্ষণীয় গেমস। নকিয়া ১০৬ ফোনটিতে দুই হাজার কনট্যাক্ট এবং ৫০০ টেক্সট মেসেজ স্টোরেজে রাখা যাবে।

কোম্পানির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, টানা ২১ দিনের স্ট্যান্ডবাই সাপোর্ট নিয়ে বাজারে আসছে ডুয়াল সিমের নকিয়া ১০৬ মোবাইল। এক্ষেত্রে এই ফোনটিকে চার্জ দিতে হবে মাত্র একবার। ফোনটিতে ৮০০ মেগা হার্টজের শক্তিশালী ব্যাটারি থাকায় কথা বলার জন্য সময় পাওয়া যাবে ১৫ ঘণ্টা।

ডার্ক গ্রে রঙে পাওয়া যাবে এই ফোনটি। রাশিয়ার বাজারে নকিয়া ১০৬ ফোনের দাম এক হাজার ৫৯০ রুবল। যা বাংলাদেশি টাকায় দুই হাজার টাকা মাত্র।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির প্রচার, প্রকাশনা ও দপ্তর সম্পাদক জোবায়ের চৌধুরীকে এক ছাত্রলীগ নেতা ‘জবাই’ করে হত্যার হুমকি দেয়ায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি। পাশাপাশি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সংগঠনটির সকল সদস্যবৃন্দ।
শুক্রবার রাতে এক বিবৃতিতে সভাপতি নাজমুস সাকিব সাদী ও সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান শাকিম বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যম থেকে জানা যায় গত বৃহস্পতিবার(২ আগস্ট) রাতে চবি শাখা ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির সহ-সভাপতি রেজাউল হক রুবেল নগরীর দামপাড়া বাস কাউন্টারের সামনে এই হুমকি দেন। সম্প্রতি চবি ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংর্ঘষের সংবাদে ওই ছাত্রলীগ নেতার মšতব্য না দেওয়ায় হুমকি দেন জোবায়ের চৌধুরীকে।
তারা আরোও বলেন, সাংবাদিকতার মতো একটি বাধাহীন মুক্ত পেশাকে যারা ভয় ও হুমকির মধ্য দিয়ে কলুষিত করতে চায় তারা কখনোই ন্যায়ের পথে থাকতে পারেনা।এ ধরনের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে শাস্তিমূলক কোন ব্যবস্থা নিতে দেখা যায় নি। যা অত্যন্ত দু:খজনক। আমরা আশা করবো প্রশাসন দ্রুততম সময়ের মধ্যে দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন। এছাড়াও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি দেশের প্রতিটি ক্যাম্পাসের সাংবাদিকদের সুরক্ষা ও স্বাধীনভাবে তাঁদের কার্যক্রম পরিচালনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, রাজনৈতিক সংগঠন, সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম এবং সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ সর্বোচ্চ সহযোগীতা ও গণতান্ত্রিক মানসিকতা পোষণ করবেন।

বাংলাদেশ গেল ১০ বছর হত দরিদ্র ছিল। কিন্তু এখন আর হত দরিদ্র নেই। বিশ্ব অর্থনীতিতে এই এক দশকে বাংলাদেশ ১৬ দেশকে ডিঙ্গিয়েছে। আগামী ২২ বছরে এ দেশ আরও ২২ দেশকে পেছনে ফেলবে। বললেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
আজ রোববার রাজধানীর গুলশানে লেকশোর হোটেলে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ- সিপিডি আয়োজিত প্রস্তাবিত বাজেটে নিয়ে পর্যালোচনায় তিনি বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্পর্কে এ তথ্য দেন।

i
প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, গতবার যখন সিপিডি প্রোগামে এসেছিলাম, তখন হতদরিদ্র হিসেবেই এসেছিলাম। এখন আমরা হতদরিদ্র নেই। কিছু দিন আগেই জাতিসংঘ আমাদের উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি দিয়েছে। তার আগে বিশ্বব্যাংক নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের স্বীকৃতি দেয়।
‘দরিদ্র শ্রেণির বন্ধনি থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে পেরেছি। আরও একটি সুখবর হচ্ছে- ১০ বছর আগে পৃথিবীর অর্থনীতিতে আমাদের অবস্থান ছিল ৫৮তম দেশ। এই ১০ বছরে আমরা ১৬টি দেশকে ডিঙ্গিয়েছি- আমাদের অবস্থান এখন ৪২তম স্থানে। এই ১৬টি দেশ হলো- ফিনল্যান্ড, স্লোভাকিয়া, রোমানিয়া, নিউজিল্যান্ড, কাতার, ভিয়েতনাম, পর্তুগাল, গ্রিস, পেরু, ইরাক, আলজেরিয়া, কাজাখস্তান, হাঙ্গেরি, কুয়েত, সুদান ও তেল সমৃদ্ধ দেশ ভেনেজুয়েলা।’

আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে এই ৪২ থেকে উন্নত দেশে পাড়ি দেয়া। এটা আমরা করতে পারবো ইনশাল্লাহ।
তিনি বলেন, আমরা যদি ১০ বছরে ১৬টি দেশকে টপকাতে পারি, তাহলে ২০৪১ সালে আমাদের উন্নত দেশ হওয়ার যে স্বপ্ন আছে, তা পূরণ করতে পারবো। প্রতি বছর একটি করে দেশকে পিছনে ফেলে ২২ বছরে ২২টি দেশকে টপকে যাবে বাংলাদেশ। তখন বিশ্ব অর্থনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান হবে ২০তম। আমরা জি-২০ বা এলিট ক্লাসে পৌঁছে যাবো।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, সিপিডির বক্তব্য অনুযায়ী- আমাদের যে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা তা হয়তো আমরা অর্জন পারিনি। এর পেছনে মূল সমস্যা হচ্ছে পাওয়ার। এনার্জি না থাকলে ইন্ডাস্ট্রি হয় না। আর এটা না হলে আউটপুটও পাবেন না। আর রপ্তানিরও কোনও ব্যবস্থা থাকবে না।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) সভাপতি ব্যারিস্টার নিহাদ কবির উপস্থিত ছিলেন।
বাজেট পর্যালোচনা ও সুপারিশ আলোচনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন। সিপিডি’র সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান সংলাপে সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন। আর সভাপতিত্ব করেন সিপিডির চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেহমান সোবহান।
পরিকল্পনামন্ত্রী এসময় ব্যাংক খাতে অনিয়মকারী কাউকে ছাড় দেয়া হবে না বলে জানান। তিনি বলেন, ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আরও শক্তিশালী করা হবে। তিনি বলেন, অনিয়মের জন্য ফারমার্স ব্যাংকের ১৪ জনকে জেলে পাঠানো হয়েছে। তবে যারা নিয়ম মেনে ব্যবসা করবে তাদের সব ধরনের সহযোগিতা করবে সরকার।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে সোমবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি ও পরিসংখ্যান বিভাগের যৌথ আয়োজনে নদী-অরথনীতি বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. হারুন-উর-রশিদ আসকারী এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন দেশবরেন্য অর্থনীতিবিদ ও ঢাকা স্কুল অব ইকনোমির চেয়ারম্যান এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বলেন, আমরা হলাম ভাটির দেশের মানুষ। নদীর উজানে যদি বাঁধ বা অন্য কোন ভাবে নদীর স্বাভাবিক গতিপথ যদি আটকানোর চেষ্ঠা না করা হয় তবে নদীগুলো মরে যাবে না। তিনি বলেন অভিন্ন নদী ব্যবস্থাপনা হবে একসঙ্গে। একটি নদীর উৎপত্তিস্থল হতে শেষ পর্যন্ত সেসব দেশের উপর দিয়ে নদীগুলো প্রবাহিত হয় সেই সব দেশগুলোকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে নদীর পানি সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনের জন্য। তিনি তাঁর বক্তব্যে আরো বলেন আমরা শুধু প্রকল্পের কথা বলি কিন্তুু সেই প্রকল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট মানুষের কথা চিন্তা করি না। আমাদেরকে সঠিক মানুষ হতে হবে কথা ও কাজের মধ্যে দিয়ে। প্রথমত মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারন করতে হবে এবং সেই চেতনায় উদ্ভুদ্ধ হয়ে দেশ ও জাতি গঠনে সকলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে দেশকে কাঙ্খিত উন্নতির শিখরে পৌছানোর জন্য। সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. হারুন-উর-রশিদ আসকারী বলেন আমরা পৃথিবীতে যত বড় বড় নদী দেখি তাঁর মধ্যে দক্ষিন আমেরিকার আমাজান নদী অন্যতম এই আমাজান নদীকে কেন্দ্র করে পৃথিবীর অনেক বিরল জীব বৈচিত্র ও প্রজাতি বেঁেচ আছে। উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. হারুন-উর-রশিদ আসকারী বলেন পৃথিবীতে ভুগর্ভস্থ পানি সবচেয়ে বেশি মজুদ আছে কানাডায় আর সবচেয়ে কম পানির মজুদ আছে কাতারে। সঠিক পানি ব্যবস্থাপনা না হলে জীব বৈচিত্র হারাবে, প্রাকৃতিক ভারসাম্য বিনষ্ঠ হবে দেশে দেশে খরা, অনাবৃষ্টি ও দুরভিক্ষ দেখা দেবে। তিনি আরো বলেন পৃথিবীতে কোন কারনে যদি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ বাধে তা হবে শুধুমাত্র পানির জন্য অন্য কোন কারনে নই। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রিভারাইন পিপলের মহাসচিব ও দৈনিক সমকালের সহকারী সম্পাদক শেখ রোকন। ‘রোল অব ইউনিভার্সিটি টু প্রমোট রিভার ইকনোমি’ শীর্ষক সেমিনারটিতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. সেলিম তোহা, পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ড. মোঃ কামাল উদ্দিন, অর্থনীতি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মোঃ আব্দুল মুঈদ এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মোঃ জসিম উদ্দিন। সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পরিসংখ্যান বিভাগের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক আলতাফ হোসেন রাসেল। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রওশন আরা সেতু। সেমিনারে নদী অর্থনীতি বিনষ্ট হওয়ার কারণ এবং তা পুনরুদ্ধারে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ শিক্ষার্থীরা কী করতে পারে এ বিষয়ে আলোচনা ও সুপারিশ গৃহীত হয়। সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন প্রক্টর প্রফেসর ড. মাহবুবর রহমান, প্রফেসর মোহাম্মদ মামুন, প্রফেসর ড. আলমগীর হোসেন ভুঁইয়া, প্রফেসর ড. জাকারিয়া রহমান, ছাত্রলীগ ইবি শাখার সভাপতি শাহিনুর রহমান শাহিন, সাধারন সম্পাদক জুয়েল রানা হালিমসহ অর্থনীতি ও পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ছাত্র-–ছাত্রী ও ছাএলীগ ইবি শাখার নেতা-কমীবৃন্দ ছাড়াও স্থানীয় কুমার নদ সংরক্ষণ কমিটির নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সেমিনার শেষে রিভারাইন পিপল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা কমিটি ঘোষনা করা হয়।

ছোট্ট একটা শহর ফেনী বৈদেশিক অর্থ উপার্জন ও ভৌগলিক কারণে ঢাকা চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী অবস্থানে অবস্থিত হওয়ার ধরুন এই শহর গুরুত্ব অপরিসীম। পুরানো ঢাকা চট্টগ্রাম হাইওয়ের অবস্থান বর্তমান ফেনী শহরের ভিতর দিয়ে ছিল বিধায় , ফেনী শহরের মূল সড়ক গুলির দায়িত্ব বাংলাদেশ সড়ক ও জনপদ বিভাগের,নতুন হাইওয়ে সড়ক তৈরি হওয়ার পরে ও এখন পর্যন্ত সড়ক গুলি সড়ক ও জনপদ বিভাগের হাতেই রয়েছে। ঢাকা চট্টগ্রাম হাইওয়ের জন্য নতুন করে সড়ক তৈরি করা হয়েছে,এবং শহরের আকার ও কর্ম কান্ড অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এর পাশাপাশি পৌর এলাকার আয়োতন এবং কর্মকান্ড অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। পৌরসভার কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা আনতে শহরেউ ভিতর অবস্থিত কলেজ রোড ,স্টার লাইন থেকে লাল পোল পর্যন্ত সড়ক এবং হাসপাতাল থেকে রেলগেট পর্যন্ত সড়ক ও ট্রাংক রোড থেকে মহিপাল পর্যন্ত সড়ক এবং মেজর সালাউদ্দিন বীরউত্তম স্কুল থেকে হাসপাতাল রোড এই সড়ক গুলি সড়ক ও জনপদ বিভাগের কাজ থেকে এর মুল স্বত্বা পরিবর্তন করে ফেনী পৌর কতৃপক্ষ নিয়ে নেওয়া উচিত। এই স্বত্বা পরিবর্তনের ফলে ফেনী পৌরসভা একাই যে কোন অবকাঠামো মুলক উন্নয়নের সমন্বয় করতে পারবে এবং পৌর কতৃপক্ষ একটি দীর্ঘ মেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা তৈরি করতে পারবেন ইচ্ছে ও চেষ্টা থাকলে। এই বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারলে ফেনী পৌরসভা নাগরিকদের তাদের নাগরিক জীবনের সকল নাগরিক সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবেন, বিষয়টি মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব নিজাম উদ্দিন হাজারী এবং পৌরসভার সম্মানিত মেয়র মহাদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ফেনীর মহিপালে দেশের প্রথম ছয় লেন উড়ালসেতুর উদ্বোধন হচ্ছে আগামী ৪ জানুয়ারি।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই উড়ালসেতু উদ্বোধন করবেন।সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ফেনীতে উড়ালসেতুর কাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

স্টাফ রিপোর্টার,ঝিনাইদহঃ
দর্শক-শ্রোতাদের উল্লাসে মাতাতে শুক্রবার ঝিনাইদহে আসার কথা ছিল নগরবাউল খ্যাত জেমসের। শহরের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠেয় ‘স্বাধীনতা কনসার্টে’ এর আয়োজন করা হলেও প্রশাসনের অনুমতি মেলেনি। এ কারণে কনসার্ট ৭ দিন পিছিয়েছে আয়োজকরা। খুব শিগগিরই নতুন তারিখ জানানো হবে।

স্থানীয় আশিক মিউজিক ক্লাব এই কনসার্টের আয়োজন করে। আয়োজকদের পক্ষে নৃত্যালয় একাডেমীর সাধারণ সম্পাদক আসিফ উল ইসলাম পাপ্পু বলেন, কনসার্টের সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও শেষ মুহুর্তে প্রশাসনের অনুমতি পাওয়া যায়নি। এ কারণে ৭ দিন পর আয়োজনের কথা ভাবা হচ্ছে।

এদিকে জেমস ভক্তরা বলছেন, ঝিনাইদহ জেলায় সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক স্থানে যাত্রা, হাউজি, লটারির জুয়া অনুমতি দিয়েছে প্রশাসন। তবে জেমসের মতো একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন শিল্পীর কনসার্টে অনুমতি না দেওয়া রহস্যজনক।

মেনু
সোমবার, ২৮ আগস্ট, ২০১৭
logo
শিরোনাম :
‘রাখাইনে সেনাদের হাতে ৪ শতাধিক রোহিঙ্গা নিহত’ সাকিব জাদুতে ব্যাটিং বিপর্যয়ে অস্ট্রেলিয়া জুটি ভাংলেন তাইজুল গর্ভপাত করানোর অভিযোগে ক্রিকেটার মারুফের বিরুদ্ধে মামলা বঙ্গরাণী জন্ম দিল প্রথম সন্তান
হোম » জাতীয়
ইউনিসেফে চাকরি দেয়ার নামে সক্রিয় প্রতারক চক্র
কোটি টাকা নিয়ে চম্পট * সাত প্রতারক চিহ্নিত * তিনজন গ্রেফতার
সিরাজুল ইসলামপ্রকাশ : ২৮ আগস্ট ২০১৭, ০৫:২০:৫৭

অঅ-অ+
ইউনাইটেড ন্যাশন্স ইন্টারন্যাশনাল চিল্ড্রেন ইমারজেন্সি ফান্ডে (ইউনিসেফ) চাকরি দেয়ার নামে দীর্ঘ দিন ধরে প্রতারণা করছে একটি চক্র। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ও ভুয়া নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে চক্রটি সারা দেশে প্রতারণার জাল বিস্তার করেছে।

বিভিন্ন পদে চাকরি দেয়ার নাম করে চক্রটি শিক্ষিত বেকারদের কাছ থেকে দুই থেকে সাড়ে পঁাচ লাখ পর্যন্ত টাকা নেয়। তাদের এক মাসের ট্রেনিং দেয়া হয়। টেনিং ফি হিসেবে ১০ হাজার টাকা করে নেয়া হয়। ট্রেনিং শেষে নিয়োগপত্র হাতে ধরিয়ে দিয়ে সটকে পড়ে প্রতারক চক্রের সদস্যরা। সম্প্রতি চক্রটির বিরুদ্ধে ২৬ জনের কাছ থেকে প্রায় এক কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ চক্রের সাতজনকে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

যাত্রাবাড়ী থানার ওসি আনিছুর রহমান যুগান্তরকে জানান, গ্রেফতার তিনজনকে বুধবার আদালতে হাজির করে প্রত্যেককে সাত দিন করে রিমান্ডে নেয়ার আবেদন জানায় পুলিশ। আদালত রিমান্ড মঞ্জুর না করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তিনি জানান, বুধবার রাতে তিন প্রতারককে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন- রফিকুল ইসলাম (৪৭), আলমগীর (৪৬) ও মামুনুর রশিদ (৩৯)। এ চক্রের অন্য সদস্যরা হলেন∏ শফিকুল ইসলাম (৪০), আবু নাসের ইমতিয়াজ (৫০), শাহাদাত হোসেন (৪২) ও ইউসুফ পাটোয়ারী (৪৩)।

এসআই বিলাল আল আজাদ বলেন, প্রতারকরা জনতা সমাজকল্যাণ ফাউন্ডেশন এবং নাসের সিকিউরিটি অ্যান্ড সোর্সিং লিমিটেডের মাধ্যমে সারা দেশ থেকে লোক সংগ্রহ করে। সম্প্রতি ২৬ জনের কাছ থেকে টাকা নেয়া হয়। ইউনিসেফে সুপারভাইজার ও ম্যাসেঞ্জার পদে তাদের চাকরি দেয়ার কথা ছিল। সুপারভাইজার পদে ৩২ হাজার ৪০০ এবং ম্যাসেঞ্জার পদে ২৮ হাজার ২০০ টাকা বেতন দেখিয়ে তাদের নিয়োগপত্র দেয়া হয়। কাউকে আবার ইউনিসেফের লগোসংবলিত পরিচয়পত্রও দেয়া হয়। চাকরি প্রার্থীদের কাছ থেকে পুলিশ ক্লিয়ারিংসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেয়ার পর ডেমরার আমুলিয়া মডেল টাউন এলাকার গ্রিন লাইন ট্রেনিং সেন্টারে তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।

পুলিশ জানায়, জনতা সমাজকল্যাণ ফাউন্ডেশন ২০০৯ সাল থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে শাখা খুলে নানা ধরনের প্রতারণা করে আসছে। জামালপুরে প্রতিষ্ঠানটির ১০টি শাখা রয়েছে। সিলেটে শাখা খুলে ঋণ দেয়ার নাম করে ২০০০ হাজার গ্রাহক তৈরি করে প্রতিষ্ঠানটি। চলতি বছর মে মাসে জামানতের কোটি কোটি টাকা আত্মসাত্ করে অফিস গুটিয়ে সটকে পড়ে চক্রটি। জনতা সমাজকল্যাণ ফাউন্ডেশনের মালিক হলেন শফিকুল ইসলাম, মহাব্যবস্থাপক হলেন রফিকুল ইসলাম ও মার্কেটিং ডিরেক্টর হলেন আলমগীর। উত্তর যাত্রাবাড়ী কলাপট্টির প্রতিষ্ঠানটিতে অভিযান চালিয়ে রফিকুল ও আলমগীরসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। শফিকুল পলাতক।

সূত্র জানায়, চাকরি দেয়ার সময় আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠান হিসেবে নাসের সিকিউরিটি অ্যান্ড সোর্সিং লিমিটেডের নাম উলে্লখ করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির ঠিকানা দেয়া হয়- উত্তরা ১৪ নম্বর সেক্টরের ১৪ নম্বর রোডের ১৩ নম্বর বাড়ি। কিন্তু পুলিশ সেখানে এ ধরনের প্রতিষ্ঠান পায়নি। এসআই আজাদ জানান, ইউনিসেফে চাকরি দেয়ার কথা বলে টাকা নেয়ায় পুলিশের পক্ষ থেকে নিউনিসেফের কান্ট্রি ডিরেক্টরসহ সংশি্লষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পুলিশকে তারা জানান, প্রতিষ্ঠান দুটির সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

ভুক্তভোগী বিল্লাল হোসেন যুগান্তরকে জানান, সুপারভাইজার পদে চাকরি দেয়ার নাম করে জামানত হিসেবে ২ মে তাদের কাছ থেকে টাকা নেয় প্রতারকরা। তিনি বলেন, তার কাছ থেকে তিন লাখ ৫০ হাজার টাকা, তার বন্ধু জয়ন্ত মসিদের কাছ থেকে দুই লাখ ৭০ হাজার এবং গোপাল মসিদের কাছ থেকে দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা প্রতারকরা হাতিয়ে নিয়েছে। তাদের আইডি কার্ড দেয়াসহ ট্রেনিং করানো হয়।

ভুক্তভোগী নূর মোহাম্মদ জানান, সুপারভাইজার পদে চাকরি দেয়ার নাম করে ২ মে তার কাছ থেকে তিন লাখ টাকা নেয়া হয়। একই দিনে তার বন্ধু রবিউল করিমকে ম্যাসেঞ্জার পদে চাকরি দেয়ার নামে দুই লাখ টাকা এবং সুপারভাইজার পদে চাকরি দেয়ার নামে মারুফ হাসানের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা নেয়া হয়।

তাদের ২৬ জনকে এক সঙ্গে ট্রেনিং দেয়া হয়। জামানত ছাড়াও প্রত্যেকের কাছ থেকে ট্রেনিং ফি নেয়া হয়। কিন্তু কাউকে তারা চাকরি দেয়নি।

39
0
0
0
0

শীর্ষ খবর
সর্বশেষ খবর
জাতীয়
ইউনিসেফে চাকরি দেয়ার নামে সক্রিয় প্রতারক চক্র
নিয়মিত বেতন-ভাতা দাবি করায় ৪০ জনকে ছাঁটাই!
আন্তর্জাতিক
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে ভয়াবহ বন্যা
পশ্চিমবঙ্গে দুই মুসলিমকে পিটিয়ে হত্যা
রাজনীতি
আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সভা কাল
‘অন্যরকম’ সরকারের আশঙ্কা বি চৌধুরীর
খেলা
প্রথম দিনে সাফল্য বোলারদের
নতুন রেকর্ড গড়লেন তামিম-সাকিব
সব খবর
জাতীয় বিভাগের অারও খবর
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট
ছুরি-চাপতি শানাতে ঘুমহীন কামারশালা
মুক্তামণির পরবর্তী অস্ত্রোপচার কাল
ইউনিসেফে চাকরি দেয়ার নামে সক্রিয় প্রতারক চক্র
নিয়মিত বেতন-ভাতা দাবি করায় ৪০ জনকে ছাঁটাই!
অনুপ্রবেশের আশায় সীমান্তে হাজার হাজার রোহিঙ্গা
রাজনৈতিক দলের মত ছাড়াই চূড়ান্ত করছে ইসি
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Mobile App
E-mail: jugantor.mail@gmail.com
Developed By : orangebd

উপরে close

‘ডাকো’ অ্যাপ ব্যবহার করে গাড়ি ডেকেছেন ক্রিকেটার মোহাম্মদ আশরাফুল। ডাকোর প্রথম যাত্রী তিনি। ছবি: সংগৃহীত।

গণপরিবহন হিসেবে ঢাকা ও চট্টগ্রামে গাড়ি ও মোটরসাইকেল (বাইক) ডাকার জন্য চালু হলো রাইড শেয়ারিং সেবা ‘ডাকো’। গুগল প্লেস্টোর বা অ্যাপ স্টোর থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড করে ব্যবহার করা যাবে। আজ ১৬ ডিসেম্বর সেবাটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন ডাকোর উদ্যোক্তারা। ক্রিকেটার মোহাম্মদ আশরাফুলকে প্রথম যাত্রী হিসেবে চড়িয়ে এ সেবাটি উদ্বোধন করা হয়েছে।

ডকোর প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদউল্লাহ ভুঁইয়া প্রথম আলোকে বলেন, প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। হাতের স্মার্টফোন ব্যবহার করেই মানুষ মোটরসাইকেল ও গাড়ি ডেকে নিচ্ছেন। এতে সময় বাঁচছে, ঝামেলা কমছে। রাইড শেয়ারিং অ্যাপ হিসেবে ডাকোতে রয়েছে বেশ কিছু দরকারি ফিচার। যাত্রীদের জন্য আগাম গাড়ি ঠিক করে রাখার ব্যবস্থা, অফিসে বসে যেকোনো জায়গায় বন্ধু বা পরিবারের সদস্যদের জন্য গাড়ি ও বাইক ঠিক করে দেওয়া, রিয়েল টাইম লকিং রাইড সিস্টেম, বিশেষ সময়ের জন্য নিরাপত্তা নম্বর ঠিক করে নেওয়া প্রভৃতি।

মোহাম্মদউল্লাহ ভুঁইয়া বলেন, ডাকোর ভাড়া দুই ধরনের—আনুমানিক (এস্টিমেটেড) ও নির্দিষ্ট। আনুমানিক ভাড়া অ্যাপে দেখানো ভাড়া থেকে কম বা বেশি হতে পারে। অন্যদিকে ভাড়ার চিন্তা না করে যেতে চাইলে আগে থেকে নির্দিষ্ট করে রাখা ভাড়ায় যাওয়া যাবে। ডাকোর ভাড়া মোটরসাইকেলের জন্য প্রতি কিলোমিটারে ৭ টাকা, ডাকো প্রাইমের ক্ষেত্রে ৯ টাকা আর গাড়ির ক্ষেত্রে ১৪ টাকা ও ডাকো প্রাইমের ক্ষেত্রে ১৭ টাকা।

গাড়ি ও মোটরসাইকেল মালিকদের জন্যে ২৪ ঘণ্টা ট্রিপ নিশ্চিত করতে রেডি টু রাইড নামের অপশন রয়েছে। তাঁরা এর মাধ্যমে পছন্দমতো পথে যেতে পারবেন। আয় বাড়াতে বোনাস–সুবিধা আছে। নিরাপত্তার জন্য গাড়ির অবস্থান, আয়, গাড়ির অবস্থা সরাসরি দেখার সুবিধা আছে। ডাকোর উদ্বোধন উপলক্ষে বিজয় দিবসের বিশেষ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নিবন্ধন করা ৫০০ গাড়িকে ১৫ হাজার টাকা ও মোটরসাইকেলকে ১০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। ডাকোতে অ্যাকাউন্ট খুলতে কাগজপত্র ঠিক থাকতে হবে। চালকদের জন্য রয়েছে ডাকো ক্যাপ্টেন নামের অ্যাপস। যাত্রীদের জন্য ডাকো রাইড অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস সংস্করণে পাওয়া যাবে।

লিখিত বিবৃতিতে ক্রিকেটার আশরাফুল বলেন, ‘বর্তমানে প্রযুক্তির যুগ। যোগাযোগব্যবস্থায় বাড়ছে রাইড শেয়ারিং সার্ভিসের ব্যবহার। ডাকোতে চড়ে ভালো লেগেছে। আমি প্রাইভেট কারে রিকোয়েস্ট দিয়ে এক মিনিটের মধ্যে গাড়িটি পেয়েছি। কিছুক্ষণ চড়ে অ্যাপটি দেখেছি। ফিউচার রাইড সিস্টেমটি ভালো লেগেছে। কয়েক ঘণ্টার জন্য রিয়েল টাইমেও গাড়ি নেওয়া যায় এখানে। খুব ভালো উদ্যোগ।’

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মাহাম্মদ ছায়েদুল হক আর নেই। শনিবার সকাল সাড়ে আটটায় বঙ্গবন্ধু শখ মুজিব মডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। গত আগস্ট মাস থকে প্রাস্টেট গ্লান্ডের সংক্রমণে ভুগছিলেন মন্ত্রী ছায়েদুল। ১৩ ডিসেম্বর থেকে তিনি বিএসএমএমইউ  হাসপাতালের আইসিইউতে লাইফ-সাপোর্টে ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও এক ছলেসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন এবং গুণগ্রাহী রখে গছেন। তার ছলে এ এস এম রায়হানুল হক ঢাকা মডিকেলে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত আছেন।
ছায়েদুল হক ১৯৪২ সালের ৪ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৭৩, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮ ও ২০১৪ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসন থকে মাট পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। মৃত্যুর পূর্বপর্যন্ত স দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি খাদ্য, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতিও ছিলেন।
ছায়েদুল হক ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা আন্দোলনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং ১৯৬৮ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের নির্বাচিত ভিপি ছিলেন। তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধেও সক্রিয় ছিলেন এবং ১৯৭৩ সালে প্রথমবারের মতো নাসিরনগর থকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণের পর এই খাতের ব্যাপক উন্নয়ন করেন তিনি। তার সময়েই মৎস্য ও ছাগল-উৎপাদনে বাংলাদেশ সারাবিশ্বে চতুর্থস্থান অর্জন করে। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও নাসিরনগরের ব্যাপক উন্নয়নে স্মরণীয় অবদান রখেছেন।

অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্যের কারণে পাকিস্তানের কবল থকে মুক্তির জন্য সংগ্রাম করা বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের দিক থকে দশটিকে ছাড়িয়ে গছে। মাথাপিছু আয়, মাথাপিছু উৎপাদন, শিল্পোন্নয়ন, সরকারের স্থিতিশীলতা, জ্বালানি ব্যবহার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং উন্নয়নের বহু সূচকে এখন বাংলাদেশ থকে পিছিয়ে পাকিস্তান। বাংলাদেশকে গত কয়েক বছর ধরেই পশ্চিমের অর্থনীতিবিদরা বিশ্বের বিস্ময় বলছেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের টিকে থাকা নিয়ে সংশয়ের কথা বলেছিলেন বিশ্বের বরেণ্য অর্থনীতিবিদরা। তাদের আশঙ্কা ছিল বাংলাদেশ তার বিশাল জনগোষ্ঠীর খাবারের সংস্থানটি করতে পারবে না। কিন্তু তারা য জনসংখ্যা দখে এই আশঙ্কার কথা বলেছিলেন, সই জনসংখ্যা বড়ে প্রায় আড়াই গুণ হয়েছে, কিন্তু বাংলাদেশকে এদের খাবার যাগাড় করতে কানো সমস্যাতেই পড়তে হচ্ছে না।
বিশ্বে এখন সবজি উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়, মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ। ছাগল উৎপাদনেও বাংলাদেশ চতুর্থ স্থানে অবস্থান করছে। আম উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে আছে সাত নম্বরে।
স্বাধীনতার পর থকে বাংলাদেশের ধানের উৎপাদন তিন গুণেরও বশি, গম দ্বিগুণ, সবজি পাঁচ গুণ এবং ভুট্টার উৎপাদন বড়েছে দশ গুণ। দুই যুগ আগেও দশের অর্ধেক এলাকায় একটি ও বাকি এলাকায় দুটি ফসল হতো। বর্তমানে দশে বছরে গড়ে দুটি ফসল হচ্ছে। স্বাধীনতার পর দশে প্রতি হক্টর জমিতে দুই টন চাল উৎপাদিত হতো। এখন হক্টর প্রতি উৎপাদন হচ্ছে চার টনেরও বশি। তাছাড়া হক্টরপ্রতি ভুট্টা উৎপাদনে বিশ্বে গড় ৫ দশমিক ১২ টন। বাংলাদেশে এ হার ৬ দশমিক ৯৮ টন। খাদ্যশস্যে প্রতি হক্টরে ১০ দশমিক ৩৪ টন উৎপাদন করে বাংলাদেশের ওপরে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আর এভাবেই প্রধান খাদ্যশস্যের উৎপাদন বাড়ানোর ক্ষত্রে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশ।
১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অবসানের পর ১৪ আগস্ট পাকিস্তান এবং ১৫ আগস্ট ভারতের জন্ম। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ পূর্ববাংলা পড়ে পাকিস্তানে। এই অঞ্চলের মানুষের আন্দোলনের ফলেই মূলত পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা সফল হয়। কিন্তু ২৪ বছরের শাসনে পশ্চিম পাকিস্তানিরা পূর্ব অংশের প্রতি নানা বৈষম্যমূলক আচরণ করতে থাকে। অর্থনৈতিক উন্নয়ন থকে শুরু করে প্রতিটি সূচকেই পাকিস্তানের পশ্চিম অংশ পূর্ব অংশের চয়ে হয়ে উঠে সমৃদ্ধ। আর এর প্রতিক্রিয়ায় ফুঁসে উঠে বাঙালিরা। আর ১৯৭১ সালে যুদ্ধ করে অর্জন করে স্বাধীনতা।
এমনিতেই পিছিয়ে থাকা এই অঞ্চলের অবকাঠামো যুদ্ধের সময় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। স্থবির হয়ে পড়ে অর্থনীতি, বিধ্বস্ত হয় সড়ক ও রল যাগাযোগ, প্রায় বন্ধ হয়ে পড়ে অর্থনীতির চাকা। এমনকি যুদ্ধ চলাকালে সারাদেশে স্বাভাবিক ফসলও ফলাতে পারেনি কৃষক। দশের রিজার্ভে ছিল না কানো টাকা।
এই অবস্থায় যাত্রা শুরু করা বাংলাদেশ আদৌ টিকে থাকতে পারবে না বলেই মত দিয়েছিলেন পশ্চিমা অর্থনীতিবিদরা। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হনরি কিসিঞ্জার স সময় বাংলাদেশকে তুলনা করেছিলেন ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’র সঙ্গে। তিনি বুঝাতে চয়েছিলেন, এই ঝুড়িতে যা কিছু দয়া হবে, তার সবই নিচ দিয়ে পড়ে যাবে।
যুদ্ধ করে স্বাধীন হওয়া বাংলাদেশের যাত্রাটাও সমৃন ছিল না। মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর সনা শাসক আর রাজনীতিতে এর কুপ্রভাবের বলয় থকে এখনও বর হওয়া যায়নি পুরোপুরি। তার সঙ্গে ছিল বহু প্রাকৃতিক দুর্যোগ। তবে বিরুদ্ধ পরিবেশেও বাংলাদেশ এখন বিশ্বে আলোচিত এক দশ। স্বাধীনতার পর শূন্য থকে শুরু করা বাংলাদেশ এখন বিশ্বের ৩৩ তম অর্থনৈতিক শক্তি। বাংলাদেশের এই ঘুরে দাঁড়ানোকে বলা হচ্ছে বাংলাদেশ প্যারাডক্স।
পাকিস্তানের পশ্চিম অংশ যটি ১৯৭১ সালে বাংলার চয়ে অনেক সমৃদ্ধ ছিল, সই অংশ এখন পিছিয়ে গছে। এই পিছিয়ে পড়া আরও বাড়ছে দিনে দিনে। অর্থাৎ বাংলাদেশ য হারে আগাচ্ছে, পাকিস্তান তাল মলাতে পারছে না তার সঙ্গে।
দারিদ্র্য বিমোচনে বাংলাদেশের সাফল্য বিশ্বে উদাহরণ হয়ে রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের পর পর দশে দারিদ্র্যের হার ছিল ৭০ শতাংশ। বিশ্বব্যাংকের সবশেষ হিসাবে এটি এখন ২৪.৩ শতাংশ। আর অতি দারিদ্র্যের হার এখন ১২ শতাংশের কিছু বশি। গত এক দশক ধরে বছরে দুই শতাংশ হারে কমছে দারিদ্র্য।
এই দিক থকে পাকিস্তান এখন যাজন যাজন দূরত্বে অবস্থান করছে। স দশের প্রতি ১০০ জন মানুষের মধ্যে এখন ৪০ জনই দরিদ্র।
সবশষ জাতিসংঘ মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশ থকে আট ধাপ পছনে পাকিস্তান। বাংলাদেশের অবস্থান যখানে ১৩৯ তম, সখানে পাকিস্তানের অবস্থান ১৪৭।
মাথাপিছু মাট দশজ উৎপাদনের দিক দিয়েও এগিয়ে গছে বাংলাদেশ। ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে বাংলাদেশে মাথাপিছু জিডিপির পরিমাণ ছিল এক হাজার ৫৩৮ ডলার, পাকিস্তানে সই জিডিপি এক হাজার ৪৭০ ডলার।  একই সাথে বড়েছে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয়ও। পাকিস্তানের মাথাপিছু আয় এখন এক হাজার ৩৮০ ডলার।  সখানে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় এক হাজার ৬০২ ডলার। বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ৩৩ বিলিয়ন ডলার যা পাকিস্তান থকে ১২ বিলিয়ন ডলার বশি।
বাংলাদেশে দশি-বিদেশি বিনিয়োগ আসায় দশের অর্থনীতিতে বাড়ছে শিল্পের অবদান। এখানেও বাংলাদেশ থকে পিছিয়ে আছে পাকিস্তান।  পাকিস্তানের মাট দশজ উৎপাদন বা জিডিপির শতকরা ২৪ শতাংশ আসে শিল্পখাত থকে।  অথচ বাংলাদেশের মাট দশজ উৎপাদনের ৩০ শতাংশ আসে শিল্পখাত থকে।
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের ক্ষত্রেও বাংলাদেশ পাকিস্তানের চয়ে এগিয়ে। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের চয়ে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল বশি। কিন্তু এখন পরিস্থিতি উল্টো হয়ে গছে। বাংলাদেশের জনসংখ্যা এখন প্রায় ১৬ কাটি। কিন্তু পাকিস্তানের জনসংখ্যা এখন প্রায় ২০ কাটি। দুই বছর আগে হিসাবে বাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৩৭, পাকিস্তানে এটা ২.২। বাংলাদেশে মা প্রতি সন্তানের গড় সংখ্যা ২.১৪। কিন্তু পাকিস্তানে এই সংখ্যা ৩.৫৫টি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আবুল বারাকাত  বলেন, ‘১৯৭১ সালে পাকিস্তান এ উপমহাদেশে অনেক ক্ষত্রে এগিয়ে ছিল। তবে যুদ্ধে বিশাল পরাজয় ও বিভিন্ন রাজনৈতক সমস্যার কারণে পাকিস্তান আজ বাংলাদেশে থকে অনেক পিছিয়ে পড়েছে।  যুদ্ধে পরাজয়, রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ সমস্যা, বিশেষ করে জঙ্গিবাদের কারণে পাকিস্তান বিশ্বে সন্ত্রাসবাদ রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।  বাংলাদেশের এভাবে এগিয়ে যাওয়ার পছনে একটি বড় বিষয় কাজ করেছে, সটি হল অসাম্প্রদায়িকতা।  য দশে সাম্প্রদায়িকতা যত বশি  স দশ ততটা নিচে পড়ে থাকে। বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক বিধায় বাংলাদেশ পাকিস্তান থকে এগিয়ে যতে পরেছে।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অধ্যাপক বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে অর্থনীতিতে সক্রিয় মানুষের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে, যা খুবই ইতিবাচক।’
পোশাক রপ্তানির দিক থকে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের অবস্থান এখন দ্বিতীয়।  বিশ্বে মাট পাশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অংশ এখন ৬.৪ শতাংশ।  অর্থাৎ বিশ্ববাজারে যতটুকু পাশাক দরকার পড়ে, তার ৬.৪ শতাংশ আসে বাংলাদেশ থকে।  ২০১৬ সালে পাশাক খাত থকে বাংলাদেশ আয় করেছে ২৮ বিলিয়ন ডলার।  সখানে পাকিস্তানের আয় ছিল ১১ বিলিয়ন ডলার।  যা বাংলাদেশের পাশাক খাতের আয়ের অর্ধেকেরও কম। এই পাশাক শিল্প বাংলাদেশের নারী কর্মসংস্থানের একটি গুরত্বপূর্ণ উৎসে পরিণত হয়েছে।
বাংলাদেশের পাশাক খাতে পুরুষের চয়ে নারী শ্রমিকই বশি। পাশাক খাতের ৪০ লাখ শ্রমিকের মধ্যে ২৬ লাখ নারী শ্রমিক আর সখানে পুরুষ শ্রমিকের সংখ্যা ১৪ লাখ।  বাংলাদেশের প্রতি ১০০ জন প্রাপ্ত বয়স্ক নারীর মধ্যে ৪৪ জন কান না কান পশায় নিযুক্ত। আর পাকিস্তানে প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ২৫ জন বিভিন্ন পশায় আছেন। নারীর কর্মসংস্থানে বাংলাদেশ এক বিরল দৃষ্টান্ত।
বাংলাদেশের নারীদের আয় এখন পাকিস্তান থকেও বশি। বাংলাদেশের একজন নারী বছরে গড়ে আয় করেন এক লাখ ৯২ হাজার ৬৯৯ টাকা। সখানে পাকিস্তানের একজন নারী আয় করেন এক লাখ ২১ হাজার ৩৩৮ টাকা।
পাকিস্তান থকে বাংলাদেশের মানুষ গড়ে ৬ বছর বশি বাঁচে।  পাকিস্তানের একজন মানুষের গড় আয়ু ৬৬ বছর, সখানে বাংলাদেশের একজন মানুষের গড় আয়ু ৭২ বছর। প্রতি এক লাখ শিশুর মধ্যে বাংলাদেশে যখানে ৩১ শিশু মারা যায়, সখানে পাকিস্তানে এই সংখ্যা ৬৭, অর্থাৎ বাংলাদেশের দ্বিগুণেরও বশি।
বাংলাদেশকে বলা হতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের দশ। বন্যা-ঘূর্ণিঝড় বাংলাদেশের নিত্যসঙ্গী। পাকিস্তান সভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের দশ না হলেও, দশটিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে গৃহহীন মানুষের সংখ্যা বাংলাদেশ থকে বশি।  প্রাকৃতিক দুযোর্গের কারণে প্রতি ১০ লাখ মানুষের মধ্যে বাংলাদেশে গৃহহীন ৭১ জন।  অথচ পাকিস্তানে এই গৃহহীন মানুষের সংখ্যা দুই হাজার ৭৪২ জন বশি। যা দুর্যোগ মাকাবেলায় দশটির দুর্বলতাকেই নির্দেশ করে।
মোবাইল ফানের নিরব বিপ্লব দখছে বাংলাদেশ। দশের প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ৮৪ জনই মাবাইল ফান ব্যবহার করে।  সখানে পাকিস্তানে মাবাইল ফান ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রতি ১০০ জনে ৬৭ জন।  বাংলাদেশ যখানে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন নিয়ে এগুচ্ছে, সখানে পাকিস্তানে এমন রূপকল্প অনুপস্থিত।
বাংলাদেশের চয়ে পাকিস্তানে শিক্ষায় বিনিয়োগ বশি। কিন্ত বাংলাদেশ স্বাক্ষরতার হার পাকিস্তানের চয়ে বশি। বাংলাদেশে প্রতি ১০০ জনে স্বাক্ষরতার হার যখানে শতকরা ৭২ ভাগ, সখানে পাকিস্তানে স্বাক্ষরতার হার শতকার ৫৯ ভাগ।
শুধু অর্থনীতির এসব হিসাবই নয়। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার দিক থকেও পাকিস্তান বাংলাদেশের চয়ে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। দশটিতে আজ পর্যন্ত কানো সরকারই তার ময়াদ পূর্ণ করতে পারেনি। দশটির সরকারের ওপর সনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এখনও নানা সমালোচনা আছে। কিন্তু বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ১৬ বছরের সামরিক শাসনের জঞ্জাল পরিয়ে এখন একটি স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরির জন্য চষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ১৯৯৬ সালের পর থকে এখন পর্যন্ত তিনটি সরকার তার পূর্ণ ময়ার পূরণ করেছে।
এর পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কথাও তুলতে হয়। বিভিন্ন উগ্রবাদী সংগঠন বা জঙ্গিবাদের থাবায় বিপর্যস্ত পাকিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় প্রায়শ হয় রক্তাক্ত হামলা। বাংলাদেশেও সম্প্রতি জঙ্গিবাদীরা মাথা তুলে দাঁড়াতে চষ্টা করলেও তাদেরকে নিয়ন্ত্রণে আনতে পরেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। কিন্তু পাকিস্তাকে জঙ্গিবাদীদের নিয়ন্ত্রণ করা প্রায় অসম্ভব ব্যাপার হয়ে গছে। এ কারণে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও তাদের ভাবমূর্তি ভালো নয় মাটে।
আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ সূচকের কথা বললে দক্ষিণ এশিয়ার ভারত, পাকিস্তানের চয়ে ভালো অবস্থানে বাংলাদেশ। গ্লাবাল টররিজম ইনডেক্স ২০১৭ অনুযায়ী পাকিস্তান বিপজ্জনক রাষ্ট্রের মধ্যে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে। আর বাংলাদেশের অবস্থান ২২ নম্বরে। সাম্প্রতিক সময়ে কিছু ঘটনা না ঘটলে বাংলাদেশের অবস্থান আরো পরে থাকত।
জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সান্তনু মজুমদার  বলেন, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে আমরা সামাজিক জায়গা থকে অনেক এগিয়েছি। পাকিস্তান ৭১ এর পর জাতিগত সংহতি সমস্যার সমাধান তা দূরের কথা এখনো ধারে কাছে যতে পারেনি। আমরা এসব সমস্যার আশানুরুপ সমাধান করতে না পারলেও পাকিস্তান থকে আমরা অনেক দূর এগিয়ে যতে পরেছি। আগামী কয়েক বছর পর দখা যাবে মিডিয়া পাকিস্তানকে বাদ দিয়ে ভারত কিংবা অন্যান্য উন্নত রাষ্ট্র এর সাথে বাংলাদেশকে তুলনা হবে।

আসল নকলের ভিড়ে বিপাকে পড়ছে আসল। বর্তমানে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট জাল চক্রের বেশ কয়েকজন সক্রিয় সদস্যকে পুলিশ গ্রেফতার করায় সেবা প্রত্যাশীদের অনেকে মনে সৃষ্টি হয়েছে সংশয়। বিদেশ যেতে হলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর দরকার হয়। আর জাল পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নিয়ে বিদেশ গেলে পড়তে হবে বিপদে। তাহলে কি করবেন? প্রশ্নকে সহজ করে উত্তরে বলা যায় দরকার সচেতনতা আর কিছু সহজ টেকনিক। আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট জাল না আসল তা পরীক্ষা করে নেয়াটা এখন অনেক সহজ।

কিভাবে দেখবেন আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট আসল না নকল? আসুন মিলিয়ে নিন নিচের পদ্ধতিসমূহ অনুসরণ করে।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নকল রোধ করার জন্য বাংলাদেশ পুলিশ রেফারেন্স নাম্বারসহ বারকোড সিস্টেম চালু করেছে। পাঠক, আপনি যখন অনলাইনে বা ম্যানুয়ালী পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর জন্য আবেদন করবেন থানা পুলিশ আপনার দেওয়া তথ্যসমূহ যাচাই করে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট ইস্যু করবে।

আপনার নামে ইস্যুকৃত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর উপরের বাম পার্শ্বে রেফারেন্স নাম্বারসহ একটি QR কোড জেনারেট হবে। এই রেফারেন্স নাম্বার ও QR কোডের মাধ্যমে আপনাকে সনাক্ত করা যাবে। তদ্রুপ বিভিন্ন নামে ইস্যুকৃত প্রত্যেকটি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন QR কোড থাকবে। কিন্তু জাল পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এরকমটি পাওয়া যায়না। কেননা প্রতারকচক্র একটি QR কোড ব্যবহার করেই একাধিক জাল পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট তৈরী করে বিধায় যাচাই করলে একই নাম ঠিকানা আসবে। একই নাম ঠিকানা আসলেও তা পুলিশের অফিসিয়াল লিংক শো করবেনা। বিষয়টি আরো বোধগম্য করা যাক। আপনি ঘরে বসে আপনার এন্ড্রোয়েড সেল ফোনের মাধ্যমে আপনার গ্রহনকৃত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট জাল কিনা দুইভাবে যাচাই করতে পারেন।

প্রথমত, রেফারেন্স নাম্বার এর মাধ্যমে-

১। Google এ প্রবেশ করে Address Bar এ www.police.gov.bd লিংকটি লিখতে হবে। এটি বাংলাদেশ পুলিশের অফিসিয়াল সাইটের লিংক।

২। পুলিশের অফিসিয়াল সাইটটি ওপেন হলে তার ডানপাশে মাঝামাঝি Online Police Clearance লেখা অপশন এ ক্লিক করতে হবে।

৩। Online Police Clearance Certificate লেখা স্ক্রীন দেখা যাবে।

৪। এরপর মেন্যু বারের Search অপশনে ক্লিক করতে হবে।

৫। Ref No বক্সে নাম্বারটি লিখে View certificate তে ক্লিক করলে স্ক্রীনে সংশ্লিষ্ট পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দেখা যাবে।

৬। স্ক্রীনে প্রদর্শিত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের নাম-ঠিকানা আর আপনার হাতে থাকা পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর নাম ঠিকানা একই হলে বুঝবেন সার্টিফিকেটটি আসল।

দ্বিতীয়ত, QR কোড স্ক্যান করে-

১। আপনার এন্ড্রোয়েড সেল ফোনে Google Playstore হতে QR কোড স্ক্যানার সফটওয়ার ডাউনলোড করুন।

২। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর উপরের বাম পার্শ্বে QR কোড চিহ্নটি আপনার সেল ফোনে ডাউনলোডকৃত QR কোড স্ক্যানার মাধ্যমে স্ক্যান করুন।

৩। স্ক্যান শেষ হলে স্বয়ংক্রীয়ভাবে সেল ফোনের স্ক্রীনে একটি URL Address দেখা যাবে। যে URL Address টি শুরু হবে www.pcc.police.gov.bd/…… এই Official Link দিয়ে। সেই লিংকে ক্লিক করলে আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটটি হুবুহু দেখা যাবে। যদি ঐ URL Address টি দেখা না গিয়ে শুধু নাম ঠিকানা আসে তবে বুঝতে হবে সার্টিফিকেটটি আসল নয়।

কোন কোন বারকোড স্ক্যানার সফটওয়ার সরাসরি Official URL Link টি না দেখিয়ে একটি web search option দেখায়। সেক্ষেত্রে Web search এ ক্লিক করলে official Link টি দেখা যাবে এবং আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটটি হুবুহু দেখা যাবে। যদি দেখা না যায় বুঝতে হবে সার্টিফিকেটটি নকল।

৪। আর যদি দেখা যায় সার্টিফিকেটে কোন QR কোড নেই তাহলে নিশ্চিত ভাবেই বলা যায় তা ভুয়া (চিত্র ৪)।

তাছাড়া দৃশ্যমান বিষয়সমূহ:

১। সার্টিফিকেটে থানার অফিসার ইনচার্জের স্বাক্ষরসহ থানার গোল সীল থাকবে।

২। পুলিশ সুপার/ উপ-পুলিশ কমিশনার এর কাউন্টার স্বাক্ষর থাকবে।

৩। সার্টিফিকেটের পেছনের পাতায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এ্যাসিসট্যান্ট সেক্রেটারি (কনস্যুলার) এর স্বাক্ষরসহ গোল সীল থাকবে। ‍উক্ত গোল সীলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিরিয়াল নাম্বার থাকবে।

সংবাদদাতা : “সমাজ পরিবর্তনের অঙ্গিকার” এ স্লোগানকে সামনে রেখে ফেনীর স্বেচ্ছাসেবী ও সামাজিক সংগঠন সানারাইজ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দাগনভূঞা উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের গণিপুর তালিমুল কুরআন নূরানী মাদ্রাসার গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে রবিবার বিকেলে পবিত্র কোরআন শরীফ বিতরন অনুষ্ঠান মাদ্রাসা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সানারাইজ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সাংবাদিক এম শরীফ ভূঞার সভাপতিত্বে অতিথি ছিলেন গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহ-প্রধান শিক্ষক জহিরুল আলম, তালিমুল কুরআন নূরানী মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মনজুরুল হক, সহকারি প্রধান শিক্ষক মাওলানা ওছমান গনি, ছন্দের যাদুকর সম্পাদক কবি সজীব ওছমান, আজকের সময় কাতার প্রতিনিধি হারুনুর রশীদ মৃধা, রাজাপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান, শিক্ষক হাফেজ ইউছুপ, মনিরুল হক, এবায়দুল হক, শফিকুর রহমান, আবদুল কাদের প্রমুখ। শেষে অতিথিবৃন্দ শিক্ষার্থীদের হাতে কোরআন শরীফ উপহার তুলে দেন।

ইস্তাম্বুল: তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, ২০৩৫ সালের মধ্যে তুরস্ক হবে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। বুধবার রাজধানী আঙ্কারাতে টার্কিশ ইউনিয়ন অব চেম্বার্স অ্যান্ড কমোডিটি এক্সচেঞ্জ (টিওবিবি) এর এক সভায় তিনি এ সব কথা বলেন। তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোগান উচ্চ সুদের হারকে অর্থনৈতিক শোষণের মূল হাতিয়ার বলে অভিহিত করে বলেন, ‘সর্বোপরি উচ্চ সুদের হার সম্পর্কে অভিযোগ আছে। প্রেসিডেন্ট হিসেবে এটা আমার স্মরণে আছে। কারণ আমি উচ্চ সুদকে শোষণের হাতিয়ার হিসেবে দেখছি। এটা মুনাফা নয় বরং শোষণের হাতিয়ার।’ তুরস্কের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হার কমিয়ে আনার জন্য এরদোগান স্পষ্টভাষী হয়ে উঠেছেন। এরদোগান বলেন,তিনি তাদের প্রত্যেকের পাশে দাঁড়াতে চান যাদের একমাত্র উদ্দেশ্য উৎপাদন এবং দেশের উন্নতি করা। ‘আমরা সব ধরনের সহায়তা তাদের প্রদান করি যারা কাজ,উৎপাদন এবং আয় করতে আগ্রহী এবং নিজেদের জীবনযাত্রার মান পরিবর্তন করতে চায়। আমরা সবসময় তুর্কি ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনা করি যাতে ব্যবসায়িক পরিবেশ বজায় থাকে’, তিনি বলেন। পৃথকভাবে এরদোগান পূর্বাভাস দিয়েছিলেন যে,২০৩৫ সালের মধ্যে তুরস্কের জনসংখ্যা ৯ কোটি ছাড়িয়ে যাবে এবং এটি জনসংখ্যার দেশগুলির উপরে অবস্থিত থাকবে এবং এটি তার ক্ষমতা বজায় রাখবে। তিনি বলেন,‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল আমরা বিশ্বের শীর্ষ দশম অর্থনীতিতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে আমাদের জনসংখ্যাকে সবচেয়ে কার্যকর উপায়ে কাজে লাগাবো’। তিনি আরো বলেন, তারা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে তুরস্কের তরুণ, শিক্ষিত এবং গতিশীল প্রাণবন্ত জনসংখ্যা দেশটির অর্থনীতিক ইঞ্জিন হিসেবে কাজ করবে যেটা অর্থনীতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে । এরদোগান বলেন যে, ২০৩৫ সালের মধ্যে তুরস্কের বিশ্বের সবচেয়ে সমৃদ্ধশালী দেশগুলোর একটিতে পরিণত হবে যার মাথাপিছু আয় ২৫,০০০ ডালার ছাড়িয়ে যাবে এবং তুরস্ক সম্পদশালী দেশে পরিণত হবে যেখানে আয়-বৈষম্য কমে যাবে। তিনি আরো বলেন, এটা দেশকে একতাবদ্ধ করবে। চাকরির ক্ষেত্র তৈরি এবং ব্যবসার জন্য ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকে তার আহ্বানের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, তুর্কি ব্যবসায়ী সংস্থা চেনাশোনা ইতিবাচকভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে,১.১৭ মিলিয়ন মানুষ কর্মসংস্থান তালিকাতে যুক্ত করেছে। উপরন্তু এরদোগান জোর যে, তাদের উচিত তুরস্ককে তথ্য প্রযুক্তি, শক্তি, পরিবহন, সরবরাহ এবং বাণিজ্যের জন্য সারাবিশ্বের কেন্দ্র পরিণত করা। ‘আমরা টিওবিবি সম্প্রদায়ের মাধ্যমে তুরস্কের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তুর্কি গাড়ি তৈরি করব। গাড়ী তৈরির প্রয়োজনীয় জনবল ও গাড়ির প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ তুরস্কের আছে’, তিনি বলেন। আনাদোলু নিউজ এজেন্সি অবলম্বনে Share1 মন্তব্য মতামত দিন Name Email Address Comment পাঠিয়ে দিন ইউরোপ পাতার আরো খবরবৃটেনের রাজপথে ৩০০০ জঙ্গি নজরদারিতে হিমশিম খাচ্ছে পুলিশ আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনলন্ডন: বৃটেনের রাজপথে ৩০০০ জঙ্গি। তাদেরকে নজরদারি করতে গোয়েন্দা ও সন্ত্রাস বিরোধী পুলিশকে হিমশি . . . বিস্তারিত ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিতে এরদোগানের ব্রাসেলস যাত্রা আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনব্রাসেলস: প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান ন্যাটো সম্মেলনে যোগদান করতে ব্রাসেলস গেছেন। মঙ্গলব . . . বিস্তারিত ম্যানচেস্টারে হামলা: ট্রাম্পের সন্ত্রাসবাদবিরোধী বার্তা দেয়ার রাস্তা প্রশস্ত করল হামলাকারী ব্রিটিশ নাগরিক, নিহতদের স্মরণে ম্যানচেস্টারে মানুষের ঢল ব্রিটেনের সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলাগুলো কী ধরনের ছিল ম্যানচেস্টারে কনসার্টে হামলার দায় স্বীকার আইএসের ম্যানচেস্টারে সন্ত্রাসী হামলায় তুরস্কের নিন্দা ‘বোন ফোন ধরছে না, প্লিজ, আমাকে সাহায্য করুন’ ম্যানচেস্টার হামলায় বিশ্ব জুড়ে নিন্দা ম্যানচেস্টারে পপ কনসার্টে ‘সন্ত্রাসী হামলায়’ নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২২ যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টারে পপ কনসার্টে ‘সন্ত্রাসী হামলায়’ নিহত ১৯ এরদোগান পুনরায় ক্ষমতাসীন একে পার্টির প্রধান নির্বাচিত তুরস্ক সন্ত্রাসী ও সন্ত্রাসবাদের প্রচারণার বিরুদ্ধে লড়াই করছে: এরদোগান মার্কিন বিনিয়োগকারীদেরকে তুরস্কে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান এরদোগানের ‘সিরিয়ার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র’ সিরিয়ার যুদ্ধ কবলিত শিশুদের জন্য ঘর দেবে তুরস্ক ‘চূড়ান্ত রায়ের আগে গুপ্তচর কুলভূষণের ফাঁসি নয়’ নতুন সংবিধানের অধীনে তুর্কি এমপিরা জুডিশিয়াল বোর্ডের সদস্য নির্বাচিত গ্রীসের উচিত অভ্যুত্থানের পরিকল্পনাকারীদের অবিলম্বে হস্তান্তর করা: এরদোগান বৃটেনের পার্লামেন্ট নির্বাচনে দুই অসম যুগল যুক্তরাষ্ট্র সফর দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কের নতুন সূচনা: এরদোগান ইতালিতে ৪৮০ শরণার্থী ও ৭টি লাশ উদ্ধার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিলেন এমানুয়েল ম্যাক্রন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ও তার বাচ্চার যেসব ছবি ভাইরাল তুরস্কে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে জার্মান সাংবাদিক আটক নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি প্রথম ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা করল তুরস্ক সত্যিকারের মিত্র হতে সন্ত্রাসীদের ত্যাগ করে আঙ্কারার পক্ষ নিন: এরদোগান কুর্দি বাহিনীকে মার্কিন অস্ত্র সরবরাহের বিরোধিতা তুরস্কের স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাই সমস্যার একমাত্র সমাধান: এরদোগান ‘ব্রিটেনের সব থেকে ঘনিষ্ঠ বন্ধু ফ্রান্স, তাই হাত মিলিয়ে কাজ করতে চাই’

বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নয়নের জন্য আরো দুই দিন সময় চেয়েছেন জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু বলেছেন, শনিবারের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে। রমজান মাসে বিকাল পাঁচটা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত সিএসজি স্টেশন বন্ধ থাকবে বলেও জানান তিনি। বৃহস্পতিবার বিকেলে বিদ্যুৎ ভবনে এক সংবাদ সম্নেলনে এ কথা জানান তিনি। গত কয়েকদিন ধরে দুঃসহ গরমের পাশাপাশি বিদ্যুতের লোডশেডিং ভোগাচ্ছে দেশবাসীকে। খোদ রাজধানী ঢাকায় বিভিন্ন এলাকায় দিনে এমনকি গভীর রাতে বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। মফস্বল বা গ্রাম এলাকায় পরিস্থিতি আরো নাজুক। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিদ্যুৎ উৎপাদনে নানা পদক্ষেপ নেয়। গত আট বছরে বিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষমতা চারগুণ হয়ে ১৫ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। সর্বোচ্চ ক্ষমতার ৮০ শতাংশ উৎপাদন করলেও প্রতিদিন ১২ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন করা সম্ভব। কিন্তু বিদ্যুতের চাহিদা অত নয়। এই পরিস্থিতি বিদ্যুৎ খাতের এই পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিএনপি। বিদ্যুৎ বিভাগ জানায়, গ্যাস সংকট ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য গত কয়েক দিনে একে একে বন্ধ হয়েছে বেশ কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র। গত রোববার বন্ধ কেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ১৬টি। বুধবার এই সংখ্যায় যোগ হয় আরও চারটি কেন্দ্র। এই ২০টি বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন বন্ধ থাকায় লোডশেডিংয়ের প্রকোপ বেড়েছে। গরমে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি। পিক আওয়ারে বর্তমানে চাহিদা সাগে নয় হাজার মেগাওয়াটের মত। তবে বুধবার উৎপাদন হয়েছে আট হাজার ৬১৫ মেগাওয়াটের মত। আবার উৎপাদনের পুরোটা ব্যবহার করতে পারে না গ্রাহক। কারণ, পরিবহন পর্যায়ে কিছু বিদ্যুৎ নষ্ট হয়ে যায়। আবার রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ কিছু স্থাপনায় সার্বক্ষণিক সরবরাহ দিতে হয়। এ কারণে অন্যত্র লোডশেডিং বেড়ে যায়। গত সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির জন্য দুঃখপ্রকাশ করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। সেদিনও তিনি চার দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আশ্বাস দেন।