Dhaka, Bangladesh
    বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৯
    ২৩ Rabi' I, ১৪৪১
    ওয়াক্তসময়
    সুবহে সাদিকভোর ৪:৫৭ পূর্বাহ্ণ
    সূর্যোদয়ভোর ৬:১৬ পূর্বাহ্ণ
    যোহরদুপুর ১১:৪৪ পূর্বাহ্ণ
    আছরবিকাল ২:৫০ অপরাহ্ণ
    মাগরিবসন্ধ্যা ৫:১২ অপরাহ্ণ
    এশা রাত ৬:৩০ অপরাহ্ণ
Facebook By Weblizar Powered By Weblizar

খেলা

কামরুল,মীরসরাইঃ মীরসরাই উপজেলার ১নং করেরহাট ইউনিয়নের দক্ষিণ অলিনগরে দক্ষিণ অলিনগর স্পোর্টস ক্লাব কর্তৃক আয়োজিত ঘরোয়া মিনিবার ফুটবল টূর্ণামেন্টে লিভারপুল চ্যাম্পিয়ন। ট্রাইবেকারে লিভারপুল ৩-০ গোলে ম্যানসিটিকে পরাজিত করে। গত ১ই নভেম্বর শুক্রবার বিকাল ৩টায় দক্ষিণ অলিনগর আবাসন সংলগ্ন মাঠে অনুষ্টিত হয়। উক্ত ক্লাবের সদস্যদের মধ্যে গত ৩ই অক্টোবর  ঘরোয়া পরিসরে ৫টি দলে বিভক্ত হয়ে গ্রুপ পর্বের মাধ্যমে লিভারপুল ও ম্যানসিটি ফাইনালে উত্তীর্ণ হয়।
পৃথিবীর অন্যতম জনপ্রিয় খেলা এই ফুটবল। ফুটবলের হারানো ঐতিহ্য ফিরে পেতে গ্রাম পর্যায়ে এরকম আয়োজন সত্যিই প্রশংসনীয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন শাহাজাহান মাস্টার, জহির উদ্দিন ভূঁইয়া (প্রতিষ্ঠাতা দক্ষিণ অলিনগন স্পোর্টিং ক্লাব), মোঃ সামসুদ্দিন,মাঈন উদ্দিন রিপন,সাংবাদিক কামরুল, বেলায়েত হোসেন, নজরুল ইসলাম, ফখরুল ইসলাম বাবলু, দক্ষিন অলিনগর যুব ও তরুন সংঘের সভাপতি পিন্টু
সহ সভাপতি সোহেল সহ উক্ত ক্লাবের একাধিক সদস্য সহ উপদেষ্টা মোশারফ।
খেলা পরিচালনা করেন রাসেল এবং সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিল দক্ষিণ অলিনগর স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি জাহিদ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক- আরিফ হোসেন এবং ক্রীড়া সম্পাদক- করিম।

কামরুল,মীরসরাইঃ মীরসরাইয়ে আন্তঃস্কুল ও মাদ্রাসা ক্রীড়া সমিতির ৪৮ তম ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টায় জোরারগঞ্জ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত ফাইনাল খেলায় খৈয়াছরা উচ্চ বিদ্যালয়কে ৩-০ গোলে হারিয়ে করেরহাট কেএম উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। ফাইনাল খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তা হুমায়ূন কবির খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন মীরসরাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জসীম উদ্দিন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব শেখ আতাউর রহমান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এম আলা উদ্দিন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ইসমত আরা ফেন্সি, চেয়ারম্যান মকসুদ আহম্মদ চৌধুরী, চেয়ারম্যান নুরুল মোস্তফা, চেয়ারম্যান জাহেদ ইকবাল চৌধুরী, চেয়ারম্যান আবু সুফিয়ান বিপ্লব, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ চক্রবর্তী, মীরসরাই শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুভাষ সরকার, মীরসরাই সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মহিউদ্দিন, জোরারগঞ্জ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ সাইফুল আলম, করেরহাট কেএম উচ্চ বিদ্যালয়ের বাহার উদ্দিন ভূঁইয়া, জোরারগঞ্জ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আশরাফ উদ্দিন ভূঁইয়া, করেরহাট কেএম উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি শাখাওয়াত উল্ল্যাহ রিপন প্রমুখ। পরে চ্যাম্পিয়ন দল করেরহাট কেএম উচ্চ বিদ্যালয় ও রানার্স আপ দল খৈয়াছরা উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলোয়াড়দের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। উক্ত খেলায় ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হয় করেরহাট কেএম উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলোয়াড় মেহেদী হাসান।

কামরুল, মীরসরাইঃ
মীরসরাই উপজেলার ১নং করেরহাট ইউনিয়নে চতুর্থ বারের মত আয়োজিত করেরহাট প্রিমিয়ার লীগ (কে.পি.এল) ২০১৯ সম্পন্ন হয় গত ২৪ শে জুলাই বুধবার বেলা ৪ ঘটিকায় করেরহাট কে.এম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে। উক্ত ফাইনাল খেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ইয়াং ষ্টার হাবিলদার বাসা এবং দক্ষিণ অলিনগর ক্রীড়া সংঘ। খেলা গোল শূন্য ড্র হওয়ার পর ট্রাইবেকারে দক্ষিণ অলিনগর ক্রীড়া সংঘ ৩-১ গোলে ইয়াং ষ্টার হাবিলদার বাসাকে হারিয়ে ফাইনাল খেলায় টানা ২য় বারের মত চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন।
উক্ত খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মীরসরাই উপজেলা চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মীরসরাই উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরি, করেরহাট ইউনিয়ন চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন নয়ন, তোবারক হোসেন সাবেক বিআরডিবি চেয়ারম্যান ,করেরহাট ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি সুলতান গিয়াস উদ্দিন জসিম, করেরহাট ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক শেখ সেলিম, শাখাওয়াত উল্ল্যাহ রিপন সভাপতি ককরেরহাট কেএম উচ্চ বিদ্যালয় ,উপজেলা আওয়ামীলীগ  যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক আবুল হোসেন, শেখ শাহাদাত সমাজ সেবক, রাসেল ইকবাল চৌধুরি সভাপতি মীরসরাই উপজেলা ছাত্রলীগ এছাড়াও ইউনিয়ন ছাত্রলীগ আওয়ামীলীগ এর নেতৃবৃন্দ সহ সকল ক্রীড়ামোদীরা।
কে.পি.এল টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির আহবায়ক জাকারিয়া মহিম ও সচিব আশ্রাফুল আলম ভূঁইয়া উক্ত খেলা পরিচালনা করেন এবং সার্বিক ব্যাস্থাপনায় ছিলেন আরেফিন নাহিদ এসময় কমিটির পক্ষ থেকে আগত সকল অতিথি এবং দর্শকদের ধন্যবাদ জানানো হয়।

সেনাবাহিনীর “শান্তি সম্প্রীতি একাদশ”কে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন মানিকছড়ি ক্রিকেট একাদশ আবুল হোসেন রিপন,খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি ॥ “স্বাধীনতার চেতনা, সিন্দুকছড়ি’র প্রেরণা” এ স্লোগানে খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে শেষ হয়েছে “বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট’২০১৯। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৪ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারী সিন্দুকছড়ি জোন এ টুর্নামেন্টের আয়োজন করে। বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠনের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, আনসার বাহিনী ও গণমাধ্যম কর্মীদের দল সহ জেলার মোট ১৮টি দলের অংশগ্রহণের শুরু হয় এ টুর্নামেন্ট। রবিবার বিকেলে উপজেলার রানী নিহার দেবী সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সেনাবাহিনীর “শান্তি সম্প্রীতি একাদশ”কে ৩উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি অর্জন করে মানিকছড়ি ক্রিকেট একাদশ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ী বিজিতদের মাঝে ট্রফি তুলে দেন ২৪আর্টিলারী ব্রিগেডের গুইমারা রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম সাজেদুল ইসলাম। এসময় তিনি বলেন, উন্নত সমৃদ্ধ জাতি গঠনে খেলাধুলার বিকল্প নাই। তাই মানুষের দেহ-মনকে সুস্থ রাখতে এবং যুব সমাজকে বিভিন্ন অপরাধ মূলক কর্মকান্ড সহ মাদকের ছোবল থেকে রক্ষা করতে বেশি বেশি খেলাধুলা চর্চা করতে হবে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী, গুইমারা রিজিয়ন কমান্ডারের সহধর্মিনী বেগম ফাহমিদা সাজেদ, সিন্দুকছড়ি সেনা জোন অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল রুবায়েত মাহমুদ হাসিব, মানিকছড়ি উপজেলার সদ্য নির্বাচিত চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন, গুইমারা উপজেলা চেয়ারম্যান উশ্যেপ্রু মারমা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিভিষণ চন্দ্র দাশ’সহ মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার, ইউপি চেয়ারম্যান, জনপ্রতিনিধি ও সামরিক বেসামরিক পদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ এবং হাজারো দর্শক উপস্থিত ছিলেন।

আবুল হোসেন রিপন/ খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি।। গুইমারায় সিন্দুকছড়ি জোন কর্তৃক বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা কাপ ক্রিকেট টুনার্মেন্টের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। ১০ ফেব্রুয়ারি বিকাল তিনটায় বড়পিলাক বাজার সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত হওয়া বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা কাপ ক্রিকেট টুনার্মেন্টে বেলুন উড়িয়ে শুভ উদ্বোধন করেন সিন্দুকছড়ি জোন কমান্ডার লে:কর্ণেল রুবায়েত মাহমুদ হাসিব,পিএসসি,জি। এসময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন গুইমারা বর্ডার গার্ড হাসপাতালের অধিনায়ক লে: কর্ণেল হোসাইন সাদেক বিন সাইদ, রামগড় পুলিশ সার্কেল ফরহাদ খান, গুইমারা উপজেলা চেয়ারম্যান উষেপ্রু মারমা, মানিকছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান ম্রাঘ্য মারমা, গুইমারা থানার অফিসার ইনচার্জ বিদ্যুৎ বড়ুয়া, ১নং গুইমারা ইউপি চেয়ারম্যান মেমং মারমা, ২নং হাফছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান চাইথোয়াই চৌধুরি, ৩নং সিন্দুকছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান রেদাক মার্মা। টুনার্মেন্টে সিন্দুকছড়ি জোনের আওতাধীন সর্বমোট ১৭ টি দল অংশগ্রহন করেন। উদ্বোধনী ম্যাচে আইনশৃংখলা বাহিনী একাদশ বড়পিলাক একাদশকে নয় উইকেটের ব্যাবধানে পরাজিত করেন। আইনশৃংখলা বাহিনী একাদশের পক্ষে সর্বোচ্চ রিপন বড়ুয়া ৫২ রানে, এবং সিন্দুকছড়ি জোন কমান্ডার লে:কর্ণেল রুবায়েত মাহমুদ হাসিব ২২ রানে অপরাজিত থাকেন। উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা কাপ টুনার্মেন্টে সিন্দুকছড়ি জোন কর্তৃক প্রতিটি দলকেই নগদ পাঁচ হাজার টাকা করে এবং দূর দূরান্তের প্রতিটি খেলোয়াড়দের যাতায়াতের জন্য গাড়ির ব্যাবস্থা করা হয়।

আগামী শনিবার থেকে শুরু হবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের এই ফ্রাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বের খেলাগুলো দেখা যাবে ২০০ টাকায়।

বৃহস্পতিবার শুরু হবে টিকিট বিক্রি। সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত টিকিট পাওয়া যাবে মিরপুর শেরেবাংলার ইনডোর এবং স্টেডিয়ামের ১নং গেটের বুথ থেকে সরাসরি টিকিট কেনা যাবে।

সিলেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচের টিকিট পাওয়া যাবে আগামী ১৪ জানুয়ারি। সিলেট বিভাগীয় স্টেডিয়াম এবং সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম থেকে টিকিট কেনা যাবে।

২৪ জানুয়ারি চট্টগ্রাম এমএ আজিজ স্টেডিয়াম বুথ এবং জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের বুথ থেকে টিকিট কেনা যাবে।

এছাড়া ইউক্যাশ এবং সহজ ডটকমের মাধ্যমেও টিকিট কেনা যাবে।

বিপিএলের গ্রুপ পর্বের খেলার টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) । গ্যালারির টিকিটের মূল্য ২০০ ও ৩০০ টাকা। ক্লাব হাউস ৫০০টাকা, ভিআপি স্ট্যান্ড ৫০০টাকা। গ্রান্ড স্ট্যান্ড ২ হাজার টাকা।

এলিমেনিটর-কোয়ালিফায়ার, দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার এবং বিপিএলের ফাইনাল ম্যাচের টিকিটের মূল্য পরবর্তীতে জানানো হবে। বিসিবির মেইল বার্তায় এমনটি জানানো হয়।

আনোয়ারুল হক নিজামী চ্ট্টগ্রাম থেকে ঃ
বৃহস্পতিবার ২০ ডিসেম্বর জেলা পর্যায়ে চ্ট্টগ্রাম জেলা দল হয়ে মীরসরাইয়ের উত্তর দুর্গাপুর ১ নং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় নোয়াখালী জেলা দলকে কোয়াটার ফাইনালে ট্রাইব্রেকারে ৪ – ২ গোলে পরাজিত করে বিভাগীয় সেমিফাইনালে উন্নীত হয়। সকাল ৮ ঘটিকায় চ্ট্টগ্রাম এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই খেলায় নির্ধারিত সময়ে গোল শূন্য ছিল।
২১ ডিসেম্বর সকাল ৮:০০ টায় চ্ট্টগ্রাম এম এআজিজ ষ্টেড়িয়ামে সেমিফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে।
স্কুল ম্যানেজিং কমিটি সভাপতি এ এস এম সেলিম ও ফুটবল দলের ম্যানেজার মাষ্টার গোপী দাশ সবার কাছে দোয়া কামনা করছেন।

বিজয়ী দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন দুর্গাপুর ন,চ, উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি আলহাজ্ব জসীম উদ্দিন
প্রশিকার চ্ট্টগ্রামের নির্বাহী শাহাদাত হোসেন, ৯ নং ওয়াড় মেম্বার মঈন উদ্দিন, প্রাক্তন ছাত্র ঝাত্রী পরিষদে সভাপতি ডাঃ আনোয়ান হোসেন

আনোয়ারুল হক নিজামী, চট্টগ্রাম থেকে ঃবঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে ফাইনালে চট্টগ্রাম জেলা পর্যায়ে মীরসরাই উপজেলার উত্তর দুর্গাপুর ১নং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। বৃহস্পতিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকাল ৮ ঘটিকা চট্টগ্রামের এম এ আজীজ স্টেডিয়ামে ফাইনালে সাতকানিয়ার মধ্যম রূপকানিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ১-০ গোলে পরাজিত করে বিভাগীয় পর্যায়ে খেলার গৌরব অর্জন করে। বিজয়ী দলের পক্ষে দ্বিতীয়ার্ধে গোল করেন নবনিতা আচার্য্য। বিজয়ী দলকে শুভেচ্ছা জানান উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার গোলাম রহমান চৌধুরী, এটিও আবু মোতালেব, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব জসীম উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শেখ মোহাম্মদ আবুল হোসেন রাইটার, ৮ নং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু সুফিয়ান বিপ্লব, স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এ, এস, এম সেলিম, সহ- সভাপতি রতন দাশ রাখাল, টিম ম্যানেজার শিক্ষক গোপী দাশ, খোকন শর্মা প্রমুখ।

মীরসরাই উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার গোলাম রহমান চৌধুরী বলেন, মেয়েরা ভালো ফুটবল খেলে জেলা চ্যাম্পিয়ন হয়ে এখন বিভাগীয় পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে। আমি সকলের দোয়া কামনা করছি যেন বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন হয়ে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে পারে মীরসরাইবাসীর সহযোগীতা প্রত্যাশা করছি।

পাকিস্তান সফরের আগে ফটোসেশনে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল-ছবি বিসিবি

২০০৯ সালে শ্রীলংকার ক্রিকেটারদের ওপর লাহোরে সন্ত্রাসী হামলার পর থেকে পাকিস্তান সফরে যেতে আগ্রহী নয় টেস্ট খেলুড়ে কোনো দেশ।

নিরাপত্তা শঙ্কার মধ্যেই ২০১৫ সালে পাকিস্তান সফরে যায় বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ইমার্জিং এশিয়া কাপে অংশ নিতে পাকিস্তান যাচ্ছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ ক্রিকেট দল।

পাকিস্তান সফরে যাওয়ার আগে সোমবার মিরপুরে ইমার্জিং দলের সহঅধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত বলেন, ‘নিরাপত্তার বিষয়টা বিসিবি ভেবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা এ নিয়ে ভাবছি না। টুর্নামেন্টে কীভাবে ভালো করতে পারি সেটাই আমাদের ভাবনা।’

আগামী বছর পাকিস্তান সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় দলের। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেন, ‘এর আগে আমাদের নারী দল পাকিস্তানে খেলে এসেছে। তারা সেরা নিরাপত্তা দিয়েছে। এর আগে শ্রীলংকাও সেখানে খেলেছে। আমরা যদি কোনো নিরাপত্তা হুমকি না দেখি এবং আইসিসির ইতিবাচক ইঙ্গিত পাই, তাহলে ভেবে দেখব। এখনও পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হল, এখনই আমাদের পাকিস্তানে কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার ইচ্ছা নেই।’

ইমার্জিং কাপের স্বাগতিক পাকিস্তান এবং শ্রীংলকা। দুটি গ্রুপে ৮টি দল অংশ নেবে। ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশ খেলবে পাকিস্তান, হংকং ও আরব আমিরাতের বিপক্ষে। এই গ্রুপের খেলাগুলো হবে পাকিস্তানের করাচিতে।

আগামী ৬ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) আরব আমিরাতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ইমার্জিং কাপ শুরু হবে বাংলাদেশের। ঠিক পরদিন প্রতিপক্ষ হংকং। ৯ ডিসেম্বর বাংলাদেশ খেলবে পাকিস্তানের বিপক্ষে। ১৫ ডিসেম্বর টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে শ্রীলংকার কলম্বোয়।

‘এ’ গ্রুপে স্বাগতিক শ্রীলংকার সঙ্গে খেলবে ভারত, আফগানিস্তান এবং ওমান। এই গ্রুপের খেলাগুলো হবে শ্রীলংকার কলম্বো স্টেডিয়ামে।

টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল এবং ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে কলম্বোয়।

বাংলাদেশ ইমার্জিং দল: নুরুল হাসান সোহান (অধিনায়ক), মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত (সহঅধিনায়ক), নাজমুল হোসেন শান্ত, মিজানুর রহমান, শফিউল ইসলাম, জাকির হাসান, সাইফ হাসান, ইয়াসির আলি চৌধুরী, তানভীর ইসলাম, আফিফ হোসেন, নাঈম হাসান, শরিফুল ইসলাম, কাজি অনিক ইসলাম, সৈয়দ খালেদ আহমেদ ও মোহর শেখ।

‘ওয়াও, হোয়াট আ গোল !’ বলটি জালে জড়াতেই পাশ থেকে শোনা গেল এমন উচ্ছ্বাস। আর গ্যালারি থেকে ভেসে আসছে দর্শকদের গর্জন। সবার চোখে-মুখে কী এক ঘোরলাগা অবিশ্বাস, সত্যিই গোল তো! আসলে এমন দুর্দান্ত গোল দেখার পর চোখ কচলাতেই হয়। তার ওপর দুর্দান্ত গোলটি যদি করেন বাংলাদেশি কোন ফরোয়ার্ড! সবে কুড়িতে পা রাখা ফরোয়ার্ডের নাম মাহবুবুর রহমান সুফিল।

ভুটানের বিপক্ষে ২-০ গোলে জয় পাওয়ার ম্যাচে কেমন ছিল সুফিলের পা থেকে আসা গোলটি? বদলি ইমন বাবুর লব বক্সের ডান প্রান্তে পড়তেই গতিতে ভুটানিজ ডিফেন্ডারদের পেছনে ফেলে ভলি, বল দূরের পোস্ট দিয়ে জালে। বাংলাদেশের স্ট্রাইকাররা বল প্রথম দফায় নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পরও ঠিকঠাক পোস্টে রাখতে না পারার বদনাম আছে। সেখানে সুফিল প্রথম স্পর্শেই বল সরাসরি জড়িয়ে দিলেন জালে! তাও একটু দুরূহ কোণ থেকে। দর্শকদের চোখেমুখে বিস্ময়টা এ কারণেই।

শুধু গোলই করেননি মৌলভীবাজারের তরুণ, অ্যাটাকিং থার্ডে বল দখলে রাখা, দুর্দান্ত গতির সঙ্গে বলের নিয়ন্ত্রণ ও সর্বোপরি প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারদের ওপর আতঙ্ক ছড়িয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন, কয়েক দিন আগে বাংলাদেশ কোচ জেমি ডে স্ট্রাইকার চেয়ে যে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন, তা আপাতত রদ করতেই পারেন। তা না করলেও তিনি যে সুফিলে মুগ্ধ, ম্যাচ শেষে তা গর্ব করেই বলেছেন, ‘ব্যতিক্রম ফুটবল খেলেছে। প্রচুর পরিশ্রম করেছে মাঠে। আর গোলটাও ছিল দুর্দান্ত।

বলতে পারেন এক ম্যাচে দুর্দান্ত এক গোল করেছে, তা নিয়েই এত প্রশংসা! জাতীয় দলের জার্সিতে সবে দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নেমেছেন সুফিল। আর দুই ম্যাচেই গোল। বাংলাদেশের স্ট্রাইকাররা টানা দুই ম্যাচে শেষ কবে গোল করেছেন, তা মনে করাই কঠিন। তাও আবার মাত্র কুঁড়ি থেকে ফুল হয়ে উঠতে থাকা ক্যারিয়ারে।

মার্চে লাওসের বিপক্ষে সুফিলের গায়ে জাতীয় দলের জার্সি তুলে দিয়েছিলেন অ্যান্ড্রু ওর্ড। ভিয়েনতিয়েনের সে ম্যাচে ২-১ গোলে হারের দিকেই এগিয়ে যাচ্ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ৯২ মিনিটে ত্রাণকর্তা হয়ে হাজির বদলি নামা অভিষিক্ত সুফিল। নতুন জার্সির ঘ্রাণ গায়ে লেগে থাকতে থাকতে গোল করে বাংলাদেশকে ফিরিয়েছিলেন সমতায়।

নিশ্চয় ভুলে যাওয়ার কথা নয় কদিন আগে শেষ হওয়া এশিয়ান গেমসের কথা। সেখানেও সুফিল করেছিলেন এক গোল। থাই‍ল্যান্ডের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়েছিলেন গত মৌসুমে আরামবাগের জার্সিতে খেলা তরুণ ফরোয়ার্ড।

সিনিয়র বা অনূর্ধ্ব ২৩ দল ছাড়াও বয়সভিত্তিক অন্য জাতীয় দলেও তাঁর পায়ে গোল দেখা গেছে নিয়মিতই। গত বছর ভুটানে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৮ সাফে ভারতের বিপক্ষে ৩-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে ৪-৩ গোলে ম্যাচ জয়ের কথাও নিশ্চয়ই ভোলেননি ? ওই ম্যাচে সমতাসূচক গোলটি এসেছিল তাঁর হেডেই। তাজিকিস্তানে অনুষ্ঠিত এএফসি অনূর্ধ্ব-১৯ বাছাইপর্বেও তিন ম্যাচ খেলে গোল করেছিলেন ৩টি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৪-০ গোলের জয়ের ম্যাচে জোড়া গোল এসেছিল সুফিলের পা থেকে। আর মালদ্বীপের বিপক্ষে তাঁর একমাত্র গোলেই জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ।
এবার সেই সুফিলে স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ।

ছোট্ট একটা শহর ফেনী বৈদেশিক অর্থ উপার্জন ও ভৌগলিক কারণে ঢাকা চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী অবস্থানে অবস্থিত হওয়ার ধরুন এই শহর গুরুত্ব অপরিসীম। পুরানো ঢাকা চট্টগ্রাম হাইওয়ের অবস্থান বর্তমান ফেনী শহরের ভিতর দিয়ে ছিল বিধায় , ফেনী শহরের মূল সড়ক গুলির দায়িত্ব বাংলাদেশ সড়ক ও জনপদ বিভাগের,নতুন হাইওয়ে সড়ক তৈরি হওয়ার পরে ও এখন পর্যন্ত সড়ক গুলি সড়ক ও জনপদ বিভাগের হাতেই রয়েছে। ঢাকা চট্টগ্রাম হাইওয়ের জন্য নতুন করে সড়ক তৈরি করা হয়েছে,এবং শহরের আকার ও কর্ম কান্ড অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এর পাশাপাশি পৌর এলাকার আয়োতন এবং কর্মকান্ড অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। পৌরসভার কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা আনতে শহরেউ ভিতর অবস্থিত কলেজ রোড ,স্টার লাইন থেকে লাল পোল পর্যন্ত সড়ক এবং হাসপাতাল থেকে রেলগেট পর্যন্ত সড়ক ও ট্রাংক রোড থেকে মহিপাল পর্যন্ত সড়ক এবং মেজর সালাউদ্দিন বীরউত্তম স্কুল থেকে হাসপাতাল রোড এই সড়ক গুলি সড়ক ও জনপদ বিভাগের কাজ থেকে এর মুল স্বত্বা পরিবর্তন করে ফেনী পৌর কতৃপক্ষ নিয়ে নেওয়া উচিত। এই স্বত্বা পরিবর্তনের ফলে ফেনী পৌরসভা একাই যে কোন অবকাঠামো মুলক উন্নয়নের সমন্বয় করতে পারবে এবং পৌর কতৃপক্ষ একটি দীর্ঘ মেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা তৈরি করতে পারবেন ইচ্ছে ও চেষ্টা থাকলে। এই বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারলে ফেনী পৌরসভা নাগরিকদের তাদের নাগরিক জীবনের সকল নাগরিক সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবেন, বিষয়টি মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব নিজাম উদ্দিন হাজারী এবং পৌরসভার সম্মানিত মেয়র মহাদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ফেনীর মহিপালে দেশের প্রথম ছয় লেন উড়ালসেতুর উদ্বোধন হচ্ছে আগামী ৪ জানুয়ারি।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই উড়ালসেতু উদ্বোধন করবেন।সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ফেনীতে উড়ালসেতুর কাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

স্টাফ রিপোর্টার,ঝিনাইদহঃ
দর্শক-শ্রোতাদের উল্লাসে মাতাতে শুক্রবার ঝিনাইদহে আসার কথা ছিল নগরবাউল খ্যাত জেমসের। শহরের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠেয় ‘স্বাধীনতা কনসার্টে’ এর আয়োজন করা হলেও প্রশাসনের অনুমতি মেলেনি। এ কারণে কনসার্ট ৭ দিন পিছিয়েছে আয়োজকরা। খুব শিগগিরই নতুন তারিখ জানানো হবে।

স্থানীয় আশিক মিউজিক ক্লাব এই কনসার্টের আয়োজন করে। আয়োজকদের পক্ষে নৃত্যালয় একাডেমীর সাধারণ সম্পাদক আসিফ উল ইসলাম পাপ্পু বলেন, কনসার্টের সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও শেষ মুহুর্তে প্রশাসনের অনুমতি পাওয়া যায়নি। এ কারণে ৭ দিন পর আয়োজনের কথা ভাবা হচ্ছে।

এদিকে জেমস ভক্তরা বলছেন, ঝিনাইদহ জেলায় সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক স্থানে যাত্রা, হাউজি, লটারির জুয়া অনুমতি দিয়েছে প্রশাসন। তবে জেমসের মতো একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন শিল্পীর কনসার্টে অনুমতি না দেওয়া রহস্যজনক।

মেনু
সোমবার, ২৮ আগস্ট, ২০১৭
logo
শিরোনাম :
‘রাখাইনে সেনাদের হাতে ৪ শতাধিক রোহিঙ্গা নিহত’ সাকিব জাদুতে ব্যাটিং বিপর্যয়ে অস্ট্রেলিয়া জুটি ভাংলেন তাইজুল গর্ভপাত করানোর অভিযোগে ক্রিকেটার মারুফের বিরুদ্ধে মামলা বঙ্গরাণী জন্ম দিল প্রথম সন্তান
হোম » জাতীয়
ইউনিসেফে চাকরি দেয়ার নামে সক্রিয় প্রতারক চক্র
কোটি টাকা নিয়ে চম্পট * সাত প্রতারক চিহ্নিত * তিনজন গ্রেফতার
সিরাজুল ইসলামপ্রকাশ : ২৮ আগস্ট ২০১৭, ০৫:২০:৫৭

অঅ-অ+
ইউনাইটেড ন্যাশন্স ইন্টারন্যাশনাল চিল্ড্রেন ইমারজেন্সি ফান্ডে (ইউনিসেফ) চাকরি দেয়ার নামে দীর্ঘ দিন ধরে প্রতারণা করছে একটি চক্র। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ও ভুয়া নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে চক্রটি সারা দেশে প্রতারণার জাল বিস্তার করেছে।

বিভিন্ন পদে চাকরি দেয়ার নাম করে চক্রটি শিক্ষিত বেকারদের কাছ থেকে দুই থেকে সাড়ে পঁাচ লাখ পর্যন্ত টাকা নেয়। তাদের এক মাসের ট্রেনিং দেয়া হয়। টেনিং ফি হিসেবে ১০ হাজার টাকা করে নেয়া হয়। ট্রেনিং শেষে নিয়োগপত্র হাতে ধরিয়ে দিয়ে সটকে পড়ে প্রতারক চক্রের সদস্যরা। সম্প্রতি চক্রটির বিরুদ্ধে ২৬ জনের কাছ থেকে প্রায় এক কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ চক্রের সাতজনকে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

যাত্রাবাড়ী থানার ওসি আনিছুর রহমান যুগান্তরকে জানান, গ্রেফতার তিনজনকে বুধবার আদালতে হাজির করে প্রত্যেককে সাত দিন করে রিমান্ডে নেয়ার আবেদন জানায় পুলিশ। আদালত রিমান্ড মঞ্জুর না করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তিনি জানান, বুধবার রাতে তিন প্রতারককে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন- রফিকুল ইসলাম (৪৭), আলমগীর (৪৬) ও মামুনুর রশিদ (৩৯)। এ চক্রের অন্য সদস্যরা হলেন∏ শফিকুল ইসলাম (৪০), আবু নাসের ইমতিয়াজ (৫০), শাহাদাত হোসেন (৪২) ও ইউসুফ পাটোয়ারী (৪৩)।

এসআই বিলাল আল আজাদ বলেন, প্রতারকরা জনতা সমাজকল্যাণ ফাউন্ডেশন এবং নাসের সিকিউরিটি অ্যান্ড সোর্সিং লিমিটেডের মাধ্যমে সারা দেশ থেকে লোক সংগ্রহ করে। সম্প্রতি ২৬ জনের কাছ থেকে টাকা নেয়া হয়। ইউনিসেফে সুপারভাইজার ও ম্যাসেঞ্জার পদে তাদের চাকরি দেয়ার কথা ছিল। সুপারভাইজার পদে ৩২ হাজার ৪০০ এবং ম্যাসেঞ্জার পদে ২৮ হাজার ২০০ টাকা বেতন দেখিয়ে তাদের নিয়োগপত্র দেয়া হয়। কাউকে আবার ইউনিসেফের লগোসংবলিত পরিচয়পত্রও দেয়া হয়। চাকরি প্রার্থীদের কাছ থেকে পুলিশ ক্লিয়ারিংসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেয়ার পর ডেমরার আমুলিয়া মডেল টাউন এলাকার গ্রিন লাইন ট্রেনিং সেন্টারে তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।

পুলিশ জানায়, জনতা সমাজকল্যাণ ফাউন্ডেশন ২০০৯ সাল থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে শাখা খুলে নানা ধরনের প্রতারণা করে আসছে। জামালপুরে প্রতিষ্ঠানটির ১০টি শাখা রয়েছে। সিলেটে শাখা খুলে ঋণ দেয়ার নাম করে ২০০০ হাজার গ্রাহক তৈরি করে প্রতিষ্ঠানটি। চলতি বছর মে মাসে জামানতের কোটি কোটি টাকা আত্মসাত্ করে অফিস গুটিয়ে সটকে পড়ে চক্রটি। জনতা সমাজকল্যাণ ফাউন্ডেশনের মালিক হলেন শফিকুল ইসলাম, মহাব্যবস্থাপক হলেন রফিকুল ইসলাম ও মার্কেটিং ডিরেক্টর হলেন আলমগীর। উত্তর যাত্রাবাড়ী কলাপট্টির প্রতিষ্ঠানটিতে অভিযান চালিয়ে রফিকুল ও আলমগীরসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। শফিকুল পলাতক।

সূত্র জানায়, চাকরি দেয়ার সময় আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠান হিসেবে নাসের সিকিউরিটি অ্যান্ড সোর্সিং লিমিটেডের নাম উলে্লখ করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির ঠিকানা দেয়া হয়- উত্তরা ১৪ নম্বর সেক্টরের ১৪ নম্বর রোডের ১৩ নম্বর বাড়ি। কিন্তু পুলিশ সেখানে এ ধরনের প্রতিষ্ঠান পায়নি। এসআই আজাদ জানান, ইউনিসেফে চাকরি দেয়ার কথা বলে টাকা নেয়ায় পুলিশের পক্ষ থেকে নিউনিসেফের কান্ট্রি ডিরেক্টরসহ সংশি্লষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পুলিশকে তারা জানান, প্রতিষ্ঠান দুটির সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

ভুক্তভোগী বিল্লাল হোসেন যুগান্তরকে জানান, সুপারভাইজার পদে চাকরি দেয়ার নাম করে জামানত হিসেবে ২ মে তাদের কাছ থেকে টাকা নেয় প্রতারকরা। তিনি বলেন, তার কাছ থেকে তিন লাখ ৫০ হাজার টাকা, তার বন্ধু জয়ন্ত মসিদের কাছ থেকে দুই লাখ ৭০ হাজার এবং গোপাল মসিদের কাছ থেকে দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা প্রতারকরা হাতিয়ে নিয়েছে। তাদের আইডি কার্ড দেয়াসহ ট্রেনিং করানো হয়।

ভুক্তভোগী নূর মোহাম্মদ জানান, সুপারভাইজার পদে চাকরি দেয়ার নাম করে ২ মে তার কাছ থেকে তিন লাখ টাকা নেয়া হয়। একই দিনে তার বন্ধু রবিউল করিমকে ম্যাসেঞ্জার পদে চাকরি দেয়ার নামে দুই লাখ টাকা এবং সুপারভাইজার পদে চাকরি দেয়ার নামে মারুফ হাসানের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা নেয়া হয়।

তাদের ২৬ জনকে এক সঙ্গে ট্রেনিং দেয়া হয়। জামানত ছাড়াও প্রত্যেকের কাছ থেকে ট্রেনিং ফি নেয়া হয়। কিন্তু কাউকে তারা চাকরি দেয়নি।

39
0
0
0
0

শীর্ষ খবর
সর্বশেষ খবর
জাতীয়
ইউনিসেফে চাকরি দেয়ার নামে সক্রিয় প্রতারক চক্র
নিয়মিত বেতন-ভাতা দাবি করায় ৪০ জনকে ছাঁটাই!
আন্তর্জাতিক
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে ভয়াবহ বন্যা
পশ্চিমবঙ্গে দুই মুসলিমকে পিটিয়ে হত্যা
রাজনীতি
আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সভা কাল
‘অন্যরকম’ সরকারের আশঙ্কা বি চৌধুরীর
খেলা
প্রথম দিনে সাফল্য বোলারদের
নতুন রেকর্ড গড়লেন তামিম-সাকিব
সব খবর
জাতীয় বিভাগের অারও খবর
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট
ছুরি-চাপতি শানাতে ঘুমহীন কামারশালা
মুক্তামণির পরবর্তী অস্ত্রোপচার কাল
ইউনিসেফে চাকরি দেয়ার নামে সক্রিয় প্রতারক চক্র
নিয়মিত বেতন-ভাতা দাবি করায় ৪০ জনকে ছাঁটাই!
অনুপ্রবেশের আশায় সীমান্তে হাজার হাজার রোহিঙ্গা
রাজনৈতিক দলের মত ছাড়াই চূড়ান্ত করছে ইসি
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Mobile App
E-mail: jugantor.mail@gmail.com
Developed By : orangebd

উপরে close

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মাহাম্মদ ছায়েদুল হক আর নেই। শনিবার সকাল সাড়ে আটটায় বঙ্গবন্ধু শখ মুজিব মডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। গত আগস্ট মাস থকে প্রাস্টেট গ্লান্ডের সংক্রমণে ভুগছিলেন মন্ত্রী ছায়েদুল। ১৩ ডিসেম্বর থেকে তিনি বিএসএমএমইউ  হাসপাতালের আইসিইউতে লাইফ-সাপোর্টে ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও এক ছলেসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন এবং গুণগ্রাহী রখে গছেন। তার ছলে এ এস এম রায়হানুল হক ঢাকা মডিকেলে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত আছেন।
ছায়েদুল হক ১৯৪২ সালের ৪ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৭৩, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮ ও ২০১৪ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসন থকে মাট পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। মৃত্যুর পূর্বপর্যন্ত স দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি খাদ্য, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতিও ছিলেন।
ছায়েদুল হক ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা আন্দোলনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং ১৯৬৮ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের নির্বাচিত ভিপি ছিলেন। তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধেও সক্রিয় ছিলেন এবং ১৯৭৩ সালে প্রথমবারের মতো নাসিরনগর থকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণের পর এই খাতের ব্যাপক উন্নয়ন করেন তিনি। তার সময়েই মৎস্য ও ছাগল-উৎপাদনে বাংলাদেশ সারাবিশ্বে চতুর্থস্থান অর্জন করে। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও নাসিরনগরের ব্যাপক উন্নয়নে স্মরণীয় অবদান রখেছেন।

অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্যের কারণে পাকিস্তানের কবল থকে মুক্তির জন্য সংগ্রাম করা বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের দিক থকে দশটিকে ছাড়িয়ে গছে। মাথাপিছু আয়, মাথাপিছু উৎপাদন, শিল্পোন্নয়ন, সরকারের স্থিতিশীলতা, জ্বালানি ব্যবহার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং উন্নয়নের বহু সূচকে এখন বাংলাদেশ থকে পিছিয়ে পাকিস্তান। বাংলাদেশকে গত কয়েক বছর ধরেই পশ্চিমের অর্থনীতিবিদরা বিশ্বের বিস্ময় বলছেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের টিকে থাকা নিয়ে সংশয়ের কথা বলেছিলেন বিশ্বের বরেণ্য অর্থনীতিবিদরা। তাদের আশঙ্কা ছিল বাংলাদেশ তার বিশাল জনগোষ্ঠীর খাবারের সংস্থানটি করতে পারবে না। কিন্তু তারা য জনসংখ্যা দখে এই আশঙ্কার কথা বলেছিলেন, সই জনসংখ্যা বড়ে প্রায় আড়াই গুণ হয়েছে, কিন্তু বাংলাদেশকে এদের খাবার যাগাড় করতে কানো সমস্যাতেই পড়তে হচ্ছে না।
বিশ্বে এখন সবজি উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়, মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ। ছাগল উৎপাদনেও বাংলাদেশ চতুর্থ স্থানে অবস্থান করছে। আম উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে আছে সাত নম্বরে।
স্বাধীনতার পর থকে বাংলাদেশের ধানের উৎপাদন তিন গুণেরও বশি, গম দ্বিগুণ, সবজি পাঁচ গুণ এবং ভুট্টার উৎপাদন বড়েছে দশ গুণ। দুই যুগ আগেও দশের অর্ধেক এলাকায় একটি ও বাকি এলাকায় দুটি ফসল হতো। বর্তমানে দশে বছরে গড়ে দুটি ফসল হচ্ছে। স্বাধীনতার পর দশে প্রতি হক্টর জমিতে দুই টন চাল উৎপাদিত হতো। এখন হক্টর প্রতি উৎপাদন হচ্ছে চার টনেরও বশি। তাছাড়া হক্টরপ্রতি ভুট্টা উৎপাদনে বিশ্বে গড় ৫ দশমিক ১২ টন। বাংলাদেশে এ হার ৬ দশমিক ৯৮ টন। খাদ্যশস্যে প্রতি হক্টরে ১০ দশমিক ৩৪ টন উৎপাদন করে বাংলাদেশের ওপরে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আর এভাবেই প্রধান খাদ্যশস্যের উৎপাদন বাড়ানোর ক্ষত্রে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দশের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশ।
১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অবসানের পর ১৪ আগস্ট পাকিস্তান এবং ১৫ আগস্ট ভারতের জন্ম। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ পূর্ববাংলা পড়ে পাকিস্তানে। এই অঞ্চলের মানুষের আন্দোলনের ফলেই মূলত পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা সফল হয়। কিন্তু ২৪ বছরের শাসনে পশ্চিম পাকিস্তানিরা পূর্ব অংশের প্রতি নানা বৈষম্যমূলক আচরণ করতে থাকে। অর্থনৈতিক উন্নয়ন থকে শুরু করে প্রতিটি সূচকেই পাকিস্তানের পশ্চিম অংশ পূর্ব অংশের চয়ে হয়ে উঠে সমৃদ্ধ। আর এর প্রতিক্রিয়ায় ফুঁসে উঠে বাঙালিরা। আর ১৯৭১ সালে যুদ্ধ করে অর্জন করে স্বাধীনতা।
এমনিতেই পিছিয়ে থাকা এই অঞ্চলের অবকাঠামো যুদ্ধের সময় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। স্থবির হয়ে পড়ে অর্থনীতি, বিধ্বস্ত হয় সড়ক ও রল যাগাযোগ, প্রায় বন্ধ হয়ে পড়ে অর্থনীতির চাকা। এমনকি যুদ্ধ চলাকালে সারাদেশে স্বাভাবিক ফসলও ফলাতে পারেনি কৃষক। দশের রিজার্ভে ছিল না কানো টাকা।
এই অবস্থায় যাত্রা শুরু করা বাংলাদেশ আদৌ টিকে থাকতে পারবে না বলেই মত দিয়েছিলেন পশ্চিমা অর্থনীতিবিদরা। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হনরি কিসিঞ্জার স সময় বাংলাদেশকে তুলনা করেছিলেন ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’র সঙ্গে। তিনি বুঝাতে চয়েছিলেন, এই ঝুড়িতে যা কিছু দয়া হবে, তার সবই নিচ দিয়ে পড়ে যাবে।
যুদ্ধ করে স্বাধীন হওয়া বাংলাদেশের যাত্রাটাও সমৃন ছিল না। মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর সনা শাসক আর রাজনীতিতে এর কুপ্রভাবের বলয় থকে এখনও বর হওয়া যায়নি পুরোপুরি। তার সঙ্গে ছিল বহু প্রাকৃতিক দুর্যোগ। তবে বিরুদ্ধ পরিবেশেও বাংলাদেশ এখন বিশ্বে আলোচিত এক দশ। স্বাধীনতার পর শূন্য থকে শুরু করা বাংলাদেশ এখন বিশ্বের ৩৩ তম অর্থনৈতিক শক্তি। বাংলাদেশের এই ঘুরে দাঁড়ানোকে বলা হচ্ছে বাংলাদেশ প্যারাডক্স।
পাকিস্তানের পশ্চিম অংশ যটি ১৯৭১ সালে বাংলার চয়ে অনেক সমৃদ্ধ ছিল, সই অংশ এখন পিছিয়ে গছে। এই পিছিয়ে পড়া আরও বাড়ছে দিনে দিনে। অর্থাৎ বাংলাদেশ য হারে আগাচ্ছে, পাকিস্তান তাল মলাতে পারছে না তার সঙ্গে।
দারিদ্র্য বিমোচনে বাংলাদেশের সাফল্য বিশ্বে উদাহরণ হয়ে রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের পর পর দশে দারিদ্র্যের হার ছিল ৭০ শতাংশ। বিশ্বব্যাংকের সবশেষ হিসাবে এটি এখন ২৪.৩ শতাংশ। আর অতি দারিদ্র্যের হার এখন ১২ শতাংশের কিছু বশি। গত এক দশক ধরে বছরে দুই শতাংশ হারে কমছে দারিদ্র্য।
এই দিক থকে পাকিস্তান এখন যাজন যাজন দূরত্বে অবস্থান করছে। স দশের প্রতি ১০০ জন মানুষের মধ্যে এখন ৪০ জনই দরিদ্র।
সবশষ জাতিসংঘ মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশ থকে আট ধাপ পছনে পাকিস্তান। বাংলাদেশের অবস্থান যখানে ১৩৯ তম, সখানে পাকিস্তানের অবস্থান ১৪৭।
মাথাপিছু মাট দশজ উৎপাদনের দিক দিয়েও এগিয়ে গছে বাংলাদেশ। ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে বাংলাদেশে মাথাপিছু জিডিপির পরিমাণ ছিল এক হাজার ৫৩৮ ডলার, পাকিস্তানে সই জিডিপি এক হাজার ৪৭০ ডলার।  একই সাথে বড়েছে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয়ও। পাকিস্তানের মাথাপিছু আয় এখন এক হাজার ৩৮০ ডলার।  সখানে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় এক হাজার ৬০২ ডলার। বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ৩৩ বিলিয়ন ডলার যা পাকিস্তান থকে ১২ বিলিয়ন ডলার বশি।
বাংলাদেশে দশি-বিদেশি বিনিয়োগ আসায় দশের অর্থনীতিতে বাড়ছে শিল্পের অবদান। এখানেও বাংলাদেশ থকে পিছিয়ে আছে পাকিস্তান।  পাকিস্তানের মাট দশজ উৎপাদন বা জিডিপির শতকরা ২৪ শতাংশ আসে শিল্পখাত থকে।  অথচ বাংলাদেশের মাট দশজ উৎপাদনের ৩০ শতাংশ আসে শিল্পখাত থকে।
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের ক্ষত্রেও বাংলাদেশ পাকিস্তানের চয়ে এগিয়ে। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের চয়ে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল বশি। কিন্তু এখন পরিস্থিতি উল্টো হয়ে গছে। বাংলাদেশের জনসংখ্যা এখন প্রায় ১৬ কাটি। কিন্তু পাকিস্তানের জনসংখ্যা এখন প্রায় ২০ কাটি। দুই বছর আগে হিসাবে বাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৩৭, পাকিস্তানে এটা ২.২। বাংলাদেশে মা প্রতি সন্তানের গড় সংখ্যা ২.১৪। কিন্তু পাকিস্তানে এই সংখ্যা ৩.৫৫টি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আবুল বারাকাত  বলেন, ‘১৯৭১ সালে পাকিস্তান এ উপমহাদেশে অনেক ক্ষত্রে এগিয়ে ছিল। তবে যুদ্ধে বিশাল পরাজয় ও বিভিন্ন রাজনৈতক সমস্যার কারণে পাকিস্তান আজ বাংলাদেশে থকে অনেক পিছিয়ে পড়েছে।  যুদ্ধে পরাজয়, রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ সমস্যা, বিশেষ করে জঙ্গিবাদের কারণে পাকিস্তান বিশ্বে সন্ত্রাসবাদ রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।  বাংলাদেশের এভাবে এগিয়ে যাওয়ার পছনে একটি বড় বিষয় কাজ করেছে, সটি হল অসাম্প্রদায়িকতা।  য দশে সাম্প্রদায়িকতা যত বশি  স দশ ততটা নিচে পড়ে থাকে। বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক বিধায় বাংলাদেশ পাকিস্তান থকে এগিয়ে যতে পরেছে।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অধ্যাপক বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে অর্থনীতিতে সক্রিয় মানুষের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে, যা খুবই ইতিবাচক।’
পোশাক রপ্তানির দিক থকে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের অবস্থান এখন দ্বিতীয়।  বিশ্বে মাট পাশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অংশ এখন ৬.৪ শতাংশ।  অর্থাৎ বিশ্ববাজারে যতটুকু পাশাক দরকার পড়ে, তার ৬.৪ শতাংশ আসে বাংলাদেশ থকে।  ২০১৬ সালে পাশাক খাত থকে বাংলাদেশ আয় করেছে ২৮ বিলিয়ন ডলার।  সখানে পাকিস্তানের আয় ছিল ১১ বিলিয়ন ডলার।  যা বাংলাদেশের পাশাক খাতের আয়ের অর্ধেকেরও কম। এই পাশাক শিল্প বাংলাদেশের নারী কর্মসংস্থানের একটি গুরত্বপূর্ণ উৎসে পরিণত হয়েছে।
বাংলাদেশের পাশাক খাতে পুরুষের চয়ে নারী শ্রমিকই বশি। পাশাক খাতের ৪০ লাখ শ্রমিকের মধ্যে ২৬ লাখ নারী শ্রমিক আর সখানে পুরুষ শ্রমিকের সংখ্যা ১৪ লাখ।  বাংলাদেশের প্রতি ১০০ জন প্রাপ্ত বয়স্ক নারীর মধ্যে ৪৪ জন কান না কান পশায় নিযুক্ত। আর পাকিস্তানে প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ২৫ জন বিভিন্ন পশায় আছেন। নারীর কর্মসংস্থানে বাংলাদেশ এক বিরল দৃষ্টান্ত।
বাংলাদেশের নারীদের আয় এখন পাকিস্তান থকেও বশি। বাংলাদেশের একজন নারী বছরে গড়ে আয় করেন এক লাখ ৯২ হাজার ৬৯৯ টাকা। সখানে পাকিস্তানের একজন নারী আয় করেন এক লাখ ২১ হাজার ৩৩৮ টাকা।
পাকিস্তান থকে বাংলাদেশের মানুষ গড়ে ৬ বছর বশি বাঁচে।  পাকিস্তানের একজন মানুষের গড় আয়ু ৬৬ বছর, সখানে বাংলাদেশের একজন মানুষের গড় আয়ু ৭২ বছর। প্রতি এক লাখ শিশুর মধ্যে বাংলাদেশে যখানে ৩১ শিশু মারা যায়, সখানে পাকিস্তানে এই সংখ্যা ৬৭, অর্থাৎ বাংলাদেশের দ্বিগুণেরও বশি।
বাংলাদেশকে বলা হতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের দশ। বন্যা-ঘূর্ণিঝড় বাংলাদেশের নিত্যসঙ্গী। পাকিস্তান সভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের দশ না হলেও, দশটিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে গৃহহীন মানুষের সংখ্যা বাংলাদেশ থকে বশি।  প্রাকৃতিক দুযোর্গের কারণে প্রতি ১০ লাখ মানুষের মধ্যে বাংলাদেশে গৃহহীন ৭১ জন।  অথচ পাকিস্তানে এই গৃহহীন মানুষের সংখ্যা দুই হাজার ৭৪২ জন বশি। যা দুর্যোগ মাকাবেলায় দশটির দুর্বলতাকেই নির্দেশ করে।
মোবাইল ফানের নিরব বিপ্লব দখছে বাংলাদেশ। দশের প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ৮৪ জনই মাবাইল ফান ব্যবহার করে।  সখানে পাকিস্তানে মাবাইল ফান ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রতি ১০০ জনে ৬৭ জন।  বাংলাদেশ যখানে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন নিয়ে এগুচ্ছে, সখানে পাকিস্তানে এমন রূপকল্প অনুপস্থিত।
বাংলাদেশের চয়ে পাকিস্তানে শিক্ষায় বিনিয়োগ বশি। কিন্ত বাংলাদেশ স্বাক্ষরতার হার পাকিস্তানের চয়ে বশি। বাংলাদেশে প্রতি ১০০ জনে স্বাক্ষরতার হার যখানে শতকরা ৭২ ভাগ, সখানে পাকিস্তানে স্বাক্ষরতার হার শতকার ৫৯ ভাগ।
শুধু অর্থনীতির এসব হিসাবই নয়। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার দিক থকেও পাকিস্তান বাংলাদেশের চয়ে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। দশটিতে আজ পর্যন্ত কানো সরকারই তার ময়াদ পূর্ণ করতে পারেনি। দশটির সরকারের ওপর সনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এখনও নানা সমালোচনা আছে। কিন্তু বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ১৬ বছরের সামরিক শাসনের জঞ্জাল পরিয়ে এখন একটি স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরির জন্য চষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ১৯৯৬ সালের পর থকে এখন পর্যন্ত তিনটি সরকার তার পূর্ণ ময়ার পূরণ করেছে।
এর পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কথাও তুলতে হয়। বিভিন্ন উগ্রবাদী সংগঠন বা জঙ্গিবাদের থাবায় বিপর্যস্ত পাকিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় প্রায়শ হয় রক্তাক্ত হামলা। বাংলাদেশেও সম্প্রতি জঙ্গিবাদীরা মাথা তুলে দাঁড়াতে চষ্টা করলেও তাদেরকে নিয়ন্ত্রণে আনতে পরেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। কিন্তু পাকিস্তাকে জঙ্গিবাদীদের নিয়ন্ত্রণ করা প্রায় অসম্ভব ব্যাপার হয়ে গছে। এ কারণে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও তাদের ভাবমূর্তি ভালো নয় মাটে।
আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ সূচকের কথা বললে দক্ষিণ এশিয়ার ভারত, পাকিস্তানের চয়ে ভালো অবস্থানে বাংলাদেশ। গ্লাবাল টররিজম ইনডেক্স ২০১৭ অনুযায়ী পাকিস্তান বিপজ্জনক রাষ্ট্রের মধ্যে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে। আর বাংলাদেশের অবস্থান ২২ নম্বরে। সাম্প্রতিক সময়ে কিছু ঘটনা না ঘটলে বাংলাদেশের অবস্থান আরো পরে থাকত।
জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সান্তনু মজুমদার  বলেন, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে আমরা সামাজিক জায়গা থকে অনেক এগিয়েছি। পাকিস্তান ৭১ এর পর জাতিগত সংহতি সমস্যার সমাধান তা দূরের কথা এখনো ধারে কাছে যতে পারেনি। আমরা এসব সমস্যার আশানুরুপ সমাধান করতে না পারলেও পাকিস্তান থকে আমরা অনেক দূর এগিয়ে যতে পরেছি। আগামী কয়েক বছর পর দখা যাবে মিডিয়া পাকিস্তানকে বাদ দিয়ে ভারত কিংবা অন্যান্য উন্নত রাষ্ট্র এর সাথে বাংলাদেশকে তুলনা হবে।

সংবাদদাতা : “সমাজ পরিবর্তনের অঙ্গিকার” এ স্লোগানকে সামনে রেখে ফেনীর স্বেচ্ছাসেবী ও সামাজিক সংগঠন সানারাইজ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দাগনভূঞা উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের গণিপুর তালিমুল কুরআন নূরানী মাদ্রাসার গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে রবিবার বিকেলে পবিত্র কোরআন শরীফ বিতরন অনুষ্ঠান মাদ্রাসা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সানারাইজ ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সাংবাদিক এম শরীফ ভূঞার সভাপতিত্বে অতিথি ছিলেন গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহ-প্রধান শিক্ষক জহিরুল আলম, তালিমুল কুরআন নূরানী মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মনজুরুল হক, সহকারি প্রধান শিক্ষক মাওলানা ওছমান গনি, ছন্দের যাদুকর সম্পাদক কবি সজীব ওছমান, আজকের সময় কাতার প্রতিনিধি হারুনুর রশীদ মৃধা, রাজাপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান, শিক্ষক হাফেজ ইউছুপ, মনিরুল হক, এবায়দুল হক, শফিকুর রহমান, আবদুল কাদের প্রমুখ। শেষে অতিথিবৃন্দ শিক্ষার্থীদের হাতে কোরআন শরীফ উপহার তুলে দেন।

ইস্তাম্বুল: তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, ২০৩৫ সালের মধ্যে তুরস্ক হবে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। বুধবার রাজধানী আঙ্কারাতে টার্কিশ ইউনিয়ন অব চেম্বার্স অ্যান্ড কমোডিটি এক্সচেঞ্জ (টিওবিবি) এর এক সভায় তিনি এ সব কথা বলেন। তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোগান উচ্চ সুদের হারকে অর্থনৈতিক শোষণের মূল হাতিয়ার বলে অভিহিত করে বলেন, ‘সর্বোপরি উচ্চ সুদের হার সম্পর্কে অভিযোগ আছে। প্রেসিডেন্ট হিসেবে এটা আমার স্মরণে আছে। কারণ আমি উচ্চ সুদকে শোষণের হাতিয়ার হিসেবে দেখছি। এটা মুনাফা নয় বরং শোষণের হাতিয়ার।’ তুরস্কের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হার কমিয়ে আনার জন্য এরদোগান স্পষ্টভাষী হয়ে উঠেছেন। এরদোগান বলেন,তিনি তাদের প্রত্যেকের পাশে দাঁড়াতে চান যাদের একমাত্র উদ্দেশ্য উৎপাদন এবং দেশের উন্নতি করা। ‘আমরা সব ধরনের সহায়তা তাদের প্রদান করি যারা কাজ,উৎপাদন এবং আয় করতে আগ্রহী এবং নিজেদের জীবনযাত্রার মান পরিবর্তন করতে চায়। আমরা সবসময় তুর্কি ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনা করি যাতে ব্যবসায়িক পরিবেশ বজায় থাকে’, তিনি বলেন। পৃথকভাবে এরদোগান পূর্বাভাস দিয়েছিলেন যে,২০৩৫ সালের মধ্যে তুরস্কের জনসংখ্যা ৯ কোটি ছাড়িয়ে যাবে এবং এটি জনসংখ্যার দেশগুলির উপরে অবস্থিত থাকবে এবং এটি তার ক্ষমতা বজায় রাখবে। তিনি বলেন,‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল আমরা বিশ্বের শীর্ষ দশম অর্থনীতিতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে আমাদের জনসংখ্যাকে সবচেয়ে কার্যকর উপায়ে কাজে লাগাবো’। তিনি আরো বলেন, তারা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে তুরস্কের তরুণ, শিক্ষিত এবং গতিশীল প্রাণবন্ত জনসংখ্যা দেশটির অর্থনীতিক ইঞ্জিন হিসেবে কাজ করবে যেটা অর্থনীতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে । এরদোগান বলেন যে, ২০৩৫ সালের মধ্যে তুরস্কের বিশ্বের সবচেয়ে সমৃদ্ধশালী দেশগুলোর একটিতে পরিণত হবে যার মাথাপিছু আয় ২৫,০০০ ডালার ছাড়িয়ে যাবে এবং তুরস্ক সম্পদশালী দেশে পরিণত হবে যেখানে আয়-বৈষম্য কমে যাবে। তিনি আরো বলেন, এটা দেশকে একতাবদ্ধ করবে। চাকরির ক্ষেত্র তৈরি এবং ব্যবসার জন্য ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকে তার আহ্বানের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, তুর্কি ব্যবসায়ী সংস্থা চেনাশোনা ইতিবাচকভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে,১.১৭ মিলিয়ন মানুষ কর্মসংস্থান তালিকাতে যুক্ত করেছে। উপরন্তু এরদোগান জোর যে, তাদের উচিত তুরস্ককে তথ্য প্রযুক্তি, শক্তি, পরিবহন, সরবরাহ এবং বাণিজ্যের জন্য সারাবিশ্বের কেন্দ্র পরিণত করা। ‘আমরা টিওবিবি সম্প্রদায়ের মাধ্যমে তুরস্কের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তুর্কি গাড়ি তৈরি করব। গাড়ী তৈরির প্রয়োজনীয় জনবল ও গাড়ির প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ তুরস্কের আছে’, তিনি বলেন। আনাদোলু নিউজ এজেন্সি অবলম্বনে Share1 মন্তব্য মতামত দিন Name Email Address Comment পাঠিয়ে দিন ইউরোপ পাতার আরো খবরবৃটেনের রাজপথে ৩০০০ জঙ্গি নজরদারিতে হিমশিম খাচ্ছে পুলিশ আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনলন্ডন: বৃটেনের রাজপথে ৩০০০ জঙ্গি। তাদেরকে নজরদারি করতে গোয়েন্দা ও সন্ত্রাস বিরোধী পুলিশকে হিমশি . . . বিস্তারিত ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিতে এরদোগানের ব্রাসেলস যাত্রা আন্তর্জাতিক ডেস্কআরটিএনএনব্রাসেলস: প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান ন্যাটো সম্মেলনে যোগদান করতে ব্রাসেলস গেছেন। মঙ্গলব . . . বিস্তারিত ম্যানচেস্টারে হামলা: ট্রাম্পের সন্ত্রাসবাদবিরোধী বার্তা দেয়ার রাস্তা প্রশস্ত করল হামলাকারী ব্রিটিশ নাগরিক, নিহতদের স্মরণে ম্যানচেস্টারে মানুষের ঢল ব্রিটেনের সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলাগুলো কী ধরনের ছিল ম্যানচেস্টারে কনসার্টে হামলার দায় স্বীকার আইএসের ম্যানচেস্টারে সন্ত্রাসী হামলায় তুরস্কের নিন্দা ‘বোন ফোন ধরছে না, প্লিজ, আমাকে সাহায্য করুন’ ম্যানচেস্টার হামলায় বিশ্ব জুড়ে নিন্দা ম্যানচেস্টারে পপ কনসার্টে ‘সন্ত্রাসী হামলায়’ নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২২ যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টারে পপ কনসার্টে ‘সন্ত্রাসী হামলায়’ নিহত ১৯ এরদোগান পুনরায় ক্ষমতাসীন একে পার্টির প্রধান নির্বাচিত তুরস্ক সন্ত্রাসী ও সন্ত্রাসবাদের প্রচারণার বিরুদ্ধে লড়াই করছে: এরদোগান মার্কিন বিনিয়োগকারীদেরকে তুরস্কে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান এরদোগানের ‘সিরিয়ার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র’ সিরিয়ার যুদ্ধ কবলিত শিশুদের জন্য ঘর দেবে তুরস্ক ‘চূড়ান্ত রায়ের আগে গুপ্তচর কুলভূষণের ফাঁসি নয়’ নতুন সংবিধানের অধীনে তুর্কি এমপিরা জুডিশিয়াল বোর্ডের সদস্য নির্বাচিত গ্রীসের উচিত অভ্যুত্থানের পরিকল্পনাকারীদের অবিলম্বে হস্তান্তর করা: এরদোগান বৃটেনের পার্লামেন্ট নির্বাচনে দুই অসম যুগল যুক্তরাষ্ট্র সফর দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কের নতুন সূচনা: এরদোগান ইতালিতে ৪৮০ শরণার্থী ও ৭টি লাশ উদ্ধার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিলেন এমানুয়েল ম্যাক্রন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ও তার বাচ্চার যেসব ছবি ভাইরাল তুরস্কে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে জার্মান সাংবাদিক আটক নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি প্রথম ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা করল তুরস্ক সত্যিকারের মিত্র হতে সন্ত্রাসীদের ত্যাগ করে আঙ্কারার পক্ষ নিন: এরদোগান কুর্দি বাহিনীকে মার্কিন অস্ত্র সরবরাহের বিরোধিতা তুরস্কের স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাই সমস্যার একমাত্র সমাধান: এরদোগান ‘ব্রিটেনের সব থেকে ঘনিষ্ঠ বন্ধু ফ্রান্স, তাই হাত মিলিয়ে কাজ করতে চাই’