Dhaka, Bangladesh
    শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২০
    ২৯ Jumada I, ১৪৪১
    ওয়াক্তসময়
    সুবহে সাদিকভোর ৫:১৯ পূর্বাহ্ণ
    সূর্যোদয়ভোর ৬:৩৮ পূর্বাহ্ণ
    যোহরদুপুর ১২:০৫ অপরাহ্ণ
    আছরবিকাল ৩:১১ অপরাহ্ণ
    মাগরিবসন্ধ্যা ৫:৩২ অপরাহ্ণ
    এশা রাত ৬:৫১ অপরাহ্ণ
Facebook By Weblizar Powered By Weblizar

প্রযুক্তি

নিউজটি শেয়ার করুন

গুগলের পিক্সেল ওয়াচ নিয়ে গুঞ্জন বেশ পুরনো। তবে গত কিছুদিন ধরে গুঞ্জনটি একটু বেশিই মাথাচাড়া দিচ্ছে। ধারনা করা হচ্ছে সামনের অক্টোবরে পিক্সেল ফোর এর সাথেই রিলিজ হতে যাচ্ছে গুগলের পিক্সেল ওয়াচ।

এখনো কোন ত্রিমাত্রিক রেন্ডার প্রকাশ না পেলেও সম্প্রতি একটি দ্বিমাত্রিক লাইন ডায়াগ্রাম লিক হয়েছে ওয়াচটির। ডায়াগ্রামটি থেকে দেখা যায় এটি একটি অ্যাপল ওয়াচকিলার ফিচার নিয়ে আসবে।

না, ফিচারটি অ্যাপল ওয়াচ এর মতো কোন লাইফ সেভিং কিংবা স্বাস্থ্য সম্পর্কিত ফিচার নয়। বরং ওয়াচটিতে থাকছে দ্রুত স্ট্র্যাপ পরিবর্তন করার ফিচার। স্মার্ট ওয়াচের স্ট্র্যাপ বা বেল্টকেও এটা স্মার্ট করে দিবে, যার মাধ্যমে খুব সহজেই পরিধানকারী নিজের মুড কিংবা পোশাক অনুযায়ী ঘড়িটির স্ট্র্যাপ পরিবর্তন করতে পারবেন।

এমনকি প্যাটেন্টলি অ্যাপল এর পাওয়া তথ্যানুযায়ী এই ফিচারটিকে গুগল ইউএস প্যাটেন্ট এন্ড ট্রেডমার্ক অফিস থেকে ইতিমধ্যে প্যাটেন্ট করিয়ে নিয়েছে। নিচের প্যাটেন্ট ডাইয়াগ্রাম অনুযায়ী ঘড়িটি এর বিশেষ ক্লাস্প মেকানিজম ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর একটি বাটন চাপার মাধ্যমেই স্ট্র্যাপ পরিবর্তন করে ফেলবে।

 

গত ২ এপ্রিল কর্তৃপক্ষ এর প্যাটেন্ট মঞ্জুর করলেও, গুগল আসলে এই প্রযুক্তির প্যাটেন্ট এর জন্য আবেদন করে ২০১৭ সালে। এর আগে নিক্কেই এশিয়ান  রিভিউ এর তথ্যানুযায়ী জানা গেছে সামনের অক্টোবরে গুগল তাদের স্মার্ট হোম স্পিকার এর আরো উন্নত ভার্সন ও রিলিজ করবে। সামনের সেপ্টেম্বরে অ্যাপল এর রিলিজ দেয়া প্রোডাক্টগুলোর সাথে পাল্লা দিতে গুগল যে সেরা কিছু চমক আনতে যাচ্ছে সেটা বুঝাই যাচ্ছে।

ফেসবুকে যুক্ত হোন!
নিউজটি শেয়ার করুন
নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশের স্মার্টফোন বাজারে একসময় শুধুমাত্র স্যামসাং কিংবা নকিয়ার মতো ক্লাসিক ব্র্যান্ডগুলোর জনপ্রিয়তা থাকলেও এখন দিন বদলেছে। বড় বড় ব্র্যান্ডগুলোর সাথে পাল্লা দিয়ে ছোট ছোট ব্র্যান্ডগুলোও সমান তালে এগিইয়ে যাচ্ছে। এমনই একটি ব্র্যান্ড হলো টেকনো। ট্রান্সিয়ন হোল্ডিংস নামক চাইনিজ একটি কোম্পানির ব্র্যান্ড এটি। বাংলাদেশের বাজারে নতুন আসলেও ইতিমধ্যে বাজেটের মাঝে সুন্দর ডিজাইন ও ভালো ক্যামেরা দিয়ে বেশ সুনাম কুড়িয়েছে ব্র্যান্ডটি।


সম্প্রতি তারা বাংলাদেশে রিলিজ করেছে তাদের নতুন ফোন টেকনো ক্যামন আই৪। তাদের ক্যামন সিরিজটি মূলত ক্যামেরার উপর জোর দিয়ে ডেভেলপ করা। এই ফোনটিও এর ব্যতিক্রম নয়।

এতে রয়েছে হালের ট্রেন্ড ট্রিপল রিয়ার ক্যামেরা সিস্টেম। মেইন সেন্সরটি হলো ১৩ মেগাপিক্সেলের একটি রেগুলার সেন্সর যেটি কম আলোতে দারুণ ছবি তোলে। এর সাথে রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেলের একটি আলট্রাওয়াইড সেন্সর, যা ১২০ ডিগ্রী ফিল্ড অব ভিউ এর ছবি তুলতে পারে এবং আরেকটি ২ মেগাপিক্সেলের ডেপথ সেন্সিং সেন্সর, যেটি ব্যাকগ্রাউন্ড ব্লার ইফেক্ট এর জন্য ব্যবহৃত হয়। এর ফ্রন্ট ক্যামেরাটি একটি ১৬ মেগাপিক্সেলের সেন্সর যা খুব চমৎকার সেলফি তোলে।

ফোনটিতে ৬.২ ইঞ্চির এইচডি প্লাস রেজ্যুলেশনের আইপিএস ডিসপ্লে রয়েছে। টিয়ারড্রপ নচ থাকাতে এর স্ক্রিন টু বডি রেশিও অনেক বেশি এবং দেখতেও ভালো লাগে। মিডিয়াটেক এর হেলিও পি২২ মডেলের চিপসেট ব্যবহার করা হয়েছে ফোনটিতে। .

৩ জিবি ও ৪ জিবি র‍্যাম ভ্যারিয়েন্টে ফোনটি সর্বোচ্চ ৬৪ জিবি স্টোরেজ সুবিধায় পাওয়া যাবে। চাইলে মেমোরি কার্ড দিয়ে স্টোরেজ ২৫৬ জিবি পর্যন্ত বাড়াতে পারবেন।

ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর, ফেইস আনলক প্রভৃতি ফিচারের সাথে মাইক্রো ইউএসবি পোর্ট ও ৩.৫ মিমি অডিও পোর্ট ও আছে ফোনটিতে। একে ব্যাকআপ দিবে ৩৫০০ মিলিএম্প এর একটি ব্যাটারি।

এন্ড্রয়েড পাই চালিত এই ফোনটি বাংলাদেশের বাজারে ৩+৩২ জিবি ভ্যারিয়েন্ট পাবেন ১২,৯৯০ টাকায় এবং ৪+৬৪ জিবি ভ্যারিয়েন্ট পাবেন ১৭,৯৯০ টাকায়।

ফেসবুকে যুক্ত হোন!
নিউজটি শেয়ার করুন
নিউজটি শেয়ার করুন

দেশে চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল সেবা ফোরজি চালুর পর থেকে গ্রাহকদের উচ্চগতির এ নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ বাড়ছে।

এক বছর আগেও এ সংখ্যা ছিল চার কোটি ৯৩ লাখ। ফোরজি ও থ্রিজি মিলিয়ে দেশে এখন উচ্চগতির মোবাইল ইন্টারনেট সংযোগ দাঁড়াচ্ছে সাত কোটি ৫২ লাখ। এর বাইরে আরও এক কোটি চার লাখ মোবাইল ইন্টারনেট সংযোগ আছে, যেগুলো এখনও টুজি সংযোগ ব্যবহার করছে।

গত বছর ফেব্রুয়ারিতে ফোরজি’র লাইসেন্স পায় চারটি মোবাইল ফোন অপারেটর। এর পর দিন থেকেই সেবা দেয়া শুরু করে তিন অপারেটর। গত ১০ মাসের কিছু বেশি সময় নেটওয়ার্ক বাড়ানো এবং গ্রাহক সংগ্রহের কাজ জোরেশোরে করছে অপারেটরগুলো। এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত অপারেটর টেলিটক ১৬ ডিসেম্বরে থেকে রাজধানীতে খুবই সীমিত পরিসরে ফোরজি সেবা দেয়া শুরু করেছে।

অপারেটর সূত্রে জানা গেছে, ফোরজি গ্রাহকের দিক দিয়ে বড় দুই অপারেটর গ্রামীণফোন ও রবি নেতৃত্ব দিচ্ছে। নভেম্বরে গ্রামীণফোন ঘোষণা দেয় তাদের ফোরজি গ্রাহক ৫০ লাখ পেরিয়েছে। একদিন পরে রবিও একই মাইলফলক অর্জনের কথা জানায়।

বাংলালিংক অবশ্য কখনই ১২ লাখের বেশি ফোরজি সংযোগের দাবি করেনি। এদিকে টেলিযোগাযোগ সাংবাদিকদের সংগঠন টেলিকম রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের (টিআরএনবি) সংগঠনের সঙ্গে গত বুধবার এক মতবিনিয়ম সভায় বিটিআরসি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জহরুল হক জানান, ফোরজি দিয়ে তারা টেলিকম সেবায় নতুন এক মাত্রা নিয়ে এসেছেন। সামনের দিনে উচ্চ গতির এই মোবাইল ইন্টারনেটই গোটা দেশের ইন্টারনেট খাতকে নিয়ন্ত্রণ করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন
নিউজটি শেয়ার করুন

অবৈধ ও নকল মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবহার বন্ধের কার্যকরী উদ্যোগ নিচ্ছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। হ্যান্ডসেট শনাক্তকরণ ব্যবস্থা স্থাপনে লাইসেন্সিং নীতিমালা আগামী ফেব্রুয়ারি থেকে চালু হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এর ফলে নকল ও অবৈধ হ্যান্ডসেটের ব্যবহার বন্ধে হবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্টরা।

বিটিআরসি সূত্রে জানা গেছে, জনস্বার্থে ও সরকারের রাজস্ব নিশ্চিতকরণে (ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি) আইএমইআই ডাটাবেস চালু করছে বিটিআরসি। ফেব্রুয়ারি মাস থেকে চালু হতে পারে এই কার্যক্রম।

বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমপিআইএ) উদ্যোগ ও বিটিআরসির তত্বাবধায়নে মোবাইল ফোনের আইএমইআই নম্বরে ডাটাবেস করার কার্যক্রম প্রায় সম্পন্ন করেছে বিটিআরসি।

আর এই ডাটাবেস চালু হলে সাধারণ মানুষ মোবাইল কেনার সময় চেক করে দেখতে পারবেন। এক্ষেত্রে অটোমেটেড সিস্টেমের মতো এসএমএস সার্ভিস চালু থাকবে। যার মাধ্যমে গ্রাহক বুঝতে পারবে সেটটি বৈধ নাকি অবৈধ। এছাড়াও বাংলাদেশে উৎপাদিত ও বিদেশ থেকে আমদানি সেটে আইএমইআই নম্বর সবসময় হালনাগাদ করবে বিটিআরসি।

প্রতিটি হ্যান্ডসেটে ১৫ সংখ্যার একটি অনন্য নম্বর থাকে, যা আইএমইআই নামে পরিচিত। হ্যান্ডসেটে *#০৬# এ নম্বরগুলো পরপর চাপলে আইএমইআই নম্বর জানা যায়। হ্যান্ডসেটের প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের নাম, মডেল ও ক্রমিকের সমন্বয়ে গঠন করা হয় আইএমইআই নম্বর। এনইআইআর স্থাপনের মাধ্যমে দেশে ব্যবহৃত প্রতিটি হ্যান্ডসেটে থাকা আইএমইআই (ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি) নম্বর শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

বিটিআরসির সূত্রে আরও জানা গেছে, হ্যান্ডসেট শনাক্তকরণে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) বাস্তবায়নে তৃতীয় পক্ষের প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স দিচ্ছে। এজন্য লাইসেন্সিং নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। লাইসেন্স দেয়ার প্রক্রিয়াও এর মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। তবে এক্ষেত্রে মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি (এমএনপি) লাইসেন্স দেয়ার প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হতে পারে।

তবে এই কার্যক্রম মনিটারিং করবে বিটিআরসি। আর আইএমইআই এর পূনাঙ্গ ডাটাবেস থাকবে বিটিআরসিতে।

দেশের সব হ্যান্ডসেটের আইএমইআই নম্বর দিয়ে ডাটাবেজ তৈরির নির্দেশনা দেবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। নিয়মিতভাবে হালনাগাদও করতে হবে এ ডাটাবেজ। আর এটি করতে হবে সেলফোন অপারেটরদের নিজ উদ্যোগেই।

জানা গেছে, বর্তমানে আইএমইআই নম্বর নিবন্ধনের ব্যবস্থা না থাকায় চুরি হওয়া হ্যান্ডসেটের প্রকৃত মালিক শনাক্ত ও উদ্ধার অনেক ক্ষেত্রেই সম্ভব হয় না। এছাড়া প্রকৃত আইএমইআই নম্বরবিহীন নকল হ্যান্ডসেট ব্যবহার করে সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি এ ধরনের হ্যান্ডসেট উদ্ধারেও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারছে না আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

এ ব্যাপারে বিটিআরসির সিনিয়র সহকারী পরিচালক জাকির হোসেন বলেন, আমরা আশা করছি গ্রাহকের নিরাপত্তার স্বার্থে ও সরকারের টেলিকম খাতে রাজস্ব নিশ্চিতকরণে এই ডাটাবেজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আর এটা টেলিকম খাতে সরকারের একটি বড় অর্জন বলে পরিগণিত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন
নিউজটি শেয়ার করুন

আগের ঘোষণা অনুযায়ী সোমবার থেকেই নকিয়া এস৪০ অপারেটিং সিস্টেমে বন্ধ হচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ।

এ ছাড়া অ্যাপলের আইওএস ও ব্যাকব্লেরির পুরনো অপারেটিং সিস্টেমে সেবাটি বন্ধ হচ্ছে। সম্প্রতি এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি এমন তথ্য জানায়।

১৯৯৯ সালে প্রথম এস৪০ ওএসচালিত ফোন বাজারে আনা হয়। পরে ২০০৫ সালে ওএসটির আপডেট সংস্করণ আনে নকিয়া। এস৪০ চালিত সর্বশেষ ডিভাইস নকিয়া ৫১৫, যা ২০১৩ সালে বাজারে আসে।

নকিয়া এস৪০ অপারেটিং সিস্টেমটি ফিচার ফোনে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ছিল। কিন্তু মাইক্রোসফট নকিয়াকে কিনে নেয়ার পর ওএসটি খুব বেশি আপডেট করেনি। এই ওএসচালিত ডিভাইসগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল নকিয়া আশা ২০১, ২০৫, ২১০, ২৩০, নকিয়া ২০৬, নকিয়া ২০০৮, নকিয়া ৫১৫ ইত্যাদি।

বিবৃতিতে জানানো হয়, আগামী বছর ১ ফেব্রুয়ারি থেকে অ্যান্ড্রয়েড ২.৩.৭ এবং আইওএস ৬ সংস্করণেও হোয়াটসঅ্যাপ সেবা বন্ধ হবে।

যদিও ২০১৭ সালের ৩০ জুন থেকে নকিয়ার সিমবিয়ান এস৬০ ওএসচালিত ডিভাইসে হোয়াটসঅ্যাপ সেবা বন্ধ করা হয়েছিল। চলতি বছরের জুনে উভয় প্লাটফর্মে (মোবাইল, ডেস্কটপ) ব্যবহারের সুবিধা চালু করে হোয়াটসঅ্যাপ। বিশ্বব্যাপী ১৩০ কোটি ব্যবহারকারী নিয়মিত অ্যাপটির মাধ্যমে তাদের বার্তা আদান-প্রদান করছেন। যা দিনকে দিন বাড়ছেই।

নিউজটি শেয়ার করুন