খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি ॥

খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালের আইসোলেশনে থাকা এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি দিন মজুরী পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে শ্বাষকষ্টে ভুগছিলেন বলে জানিয়েছে স্বজনরা। বুধবার সকালে শ্বাষকষ্ট, গলা ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে আসলে লক্ষণ দেখে তাকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। তার বয়স ৩০বছর। তিনি খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়ি উপজেলার মাইসছড়ির নুনছড়ি গ্রামের বাসিন্দা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খাগড়াছড়ি ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মিটন চাকমা।

জানা গেছে, বুধবার দুপুরে শ্বাষকষ্ট নিয়ে অসুস্থ যুবককে হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে লক্ষণ দেখে তাকে করোনা সন্দেহে আইসোলেশনে রাখা হয়। চিকিৎসাও চলছিল। রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে তিনি মারা যান।
সিভিজ সার্জন নুপুর কান্তি দাশ জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরেই শ্বাষকষ্টে ভুগছিলেন তিনি। তিনি আগেও এই হাসপাতালেই চিকিৎসা নিয়েছিলেন। সিভিল আরো সার্জন জানান, আপাতত: করোনা রোগী ধরেই লাশটির সৎকার করার জন্য পরিবারকে বলা হয়েছে। মরদেহ যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করে স্বাস্থ্য বিভাগের তত্ত্বাবধানে নিহতের গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।

খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. পূর্ণ জীবন চাকমা জানান, বিষয়টি সম্পর্কে দুপুরেই আইইডিসিআরে অবহিত করা হয়। মৃত ব্যক্তির রক্তের সেম্পল করোনা ভাইরাস পরীক্ষার জন্য আইইডিসিআরকে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে রোগীর সংস্পর্শে আসায় হাসপাতালের ২জন চিকিৎসক, ২জন নার্স ও একজন আয়াকে হাসপাতালের প্রাতিষ্ঠানিক হোম কোয়ারেনটিনে রাখা হয়েছে। মৃত রোগীর সেম্পল পরীক্ষার রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত তারা কোয়ারেনটিনেই থাকবেন।