ইতালী

ইতালিতে দূতাবাসের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ।

আরিফুর রহমান,বিশেষ প্রতিনিধিঃ
ইতালিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।দূতাবাসে এপোয়নমেন্ট বানিজ্য,প্রবাসীদের হয়রানী,দুর্ব্যবহার,দূতাবাসের স্থায়ী ভবন ক্রয় করতে গিয়ে অর্থ আত্মসাৎ সহ নানা অভিযোগোর তীর দূতাবাসের দিকে। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দূতাবাসের অনিয়ম তুলে ধরায় হেনস্থাও হচ্ছে অনেকে। সম্প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফিনল্যাণ্ড সফরকালে ইতালি আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন এম এ রব মিন্টু ইতালি প্রবাসীদের সমস্যার কথা তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী এ সময় ভুক্তভোগীদের তালিকা পাঠাতে বলেন। এমএ রব মিন্টু ফেসবুকে ভুক্তভোগীদের তালিকা আহবান করায় ক্ষেপে যায় ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত আব্দুস সোবহান সিকদার। তার লেলিয়ে দেওয়া ইতালি আওয়ামী লীগের কতিপয় নেতাকর্মী এম এ রব মিন্টুর বিরুদ্ধে অপ্রচারে লিপ্ত হয়। সেখানে যদিও রয়েছে ভিন্ন কারন এবারের কাউন্সলে এম এ রব মিন্টু সাধারন সম্পাদক পদে শক্তিশালী প্রার্থী । এ দিকে রাষ্ট্রদূত আব্দুস সোবহান সিকদার এমএ রব মিন্টু কে ফোনে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। দূতাবাসের যোগসাজসে দালালীর অভিযোগ রয়েছে ইতালি আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক হাসান ইকবালের বিরুদ্ধে । তিনি প্রতিদিন দূতাবাসে গিয়ে টাকার বিনিময়ে কাজ করে দেয়। এ দিকে ইতালি আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক হাসান ইকবালের ভাই চাকুরী করেন দূতাবাসে।তার বিরুদ্ধে প্রবাসীদের হয়রানীর অভিযোগ রয়েছে। ভাইয়ের ক্ষমতা দেখিয়ে অনেকটা অসহায় অন্য কর্মচারীরাও। ইদানিং তার ছবি দিয়ে ফেসবুকে প্রতিবাদ জানিয়েছে সাধারন প্রবাসীরা।
গোপন সুত্রে জানা গেছে দূতাবাসে ফুলের বাগান না থাকলেও মালীর বেতন আত্মসাৎ করেছে রাষ্ট্রদূত।
বিএনপি জামাতপন্থী সাংবাদিকদের মদত দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। বিএনপিপন্থী সাংবাদিক হিসাবে পরিচিত হাসান মাহমুদ ,মনিরুজ্জামান মনির,এবং জামাতপন্থী সাংবাদিক লাবন্য এবং হুমায়নের সাথে রয়েছে তার দহরম মহরম সখ্যতা। গত বছর রাষ্ট্রদূতের বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠে ফেসবুকে।
বিএনপির অনেকের সাথে গোপনে সখ্যতা রয়েছে তার।দূতাবাসেও রয়েছে বিএনপি নেতাদের আনাগোনা।যদিও এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাষ্ট্রদূত আব্দুস সোবহান সিকদার। তিনি বলেন দূতাবাসের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র । এ দিকে এম এ রব মিন্টু বলেন প্রবাসীদের পাশে ছিলাম আছি এবং থাকব সমালোচনা যত করুক। দলীয় সভানেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষনা করেছে আমরা অনিয়মের বিরুদ্ধে লড়ব। ইতালি বাংলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি বলেন এমন অভিযোগ দুঃখজনক।