ইতালী

জাতীয় শোক দিবসে আওয়ামীলীগের সাথেএক মঞ্চে জামাত বিএনপি।।

গেল ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালিত হল সমগ্র বিশ্বে ।দিবসটি উপলক্ষে গোপাল গঞ্জ জেলা সমিতি ইতালীএকাংশের আয়োজনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ও তার পরিবারের নিহতদের স্মরনে আলোচনা ও দোয়া মোনাজাতের আয়োজন করা হয়। ইতালী আওয়ামীলিগের বিপুক সংখ্যক নেতা কর্মীদের উপস্থিতি তে ইতালীতে নিয়োজীত রাষ্ট্রদূত আবদূস সোবহান শিকদার ও ইতালী আওয়ামীলীগের শীর্ষস্থানীয় নেতারা শোক প্রকাশ করেন।
কিন্তু আয়োজিত সভায় দেখা মেলে ভিন্নতা।শোক সভার মঞ্চে আওয়ামীলীগের শীর্ষস্থানীয় নেত্রীবৃন্দ ছাড়াও জামাত- বিএনপির নেতারাও আসন গ্রহন করেন।রোমের ইতিহাসে এমন ঘটনা প্রথম। যেখানে মুক্তিযুদ্ধের স্ব পক্ষের শক্তি আওয়ামী লীগের সাথে মুক্তিযুদ্ধে বিরোধী জামাত বিএনপির একত্রে আসন গ্রহন করছেন।বিগত বছরের ইতিহাসের পাতায় দেখা গেছে জাতীয় দিবস গুলোতে জামাত -বিএনপির কোন স্থানই পায়নি কোথাও। এমনকি অমর একুশে’র শহীদ মিনারের বেদীতে পুস্পার্পনের জন্য মিনারের মাঠে প্রবেেশের পথে পুলিশি বাঁধা প্রদান এবং অনুপ্রবেশ নিশিদ্ধ করা হয়।এছাড়াও রোম তথা ইতালীর সমাজ ব্যবস্থায়ও তাদেরকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন ইতালী আওয়ামীলিগের শীর্ষ নেতারা। দেখা গেছে কোন কোন অনুষ্ঠানে জামাত বিএনপি উপস্থিত থাকলে এ আওয়ামীলীগের নেতারা সে স্থান ত্যাগ করেন বা শর্ত দিয়ে জামাত- বিএনপিকে অনুষ্টান থেকে বহিঃকার করাতে বাধ্য করেন। অপর দিকে সম্প্রীতি এ আওয়ামী নেতারাই রাতের আধাঁরে জামাত- শিবিরের সাথে গোপন বৈঠকে মিলিত হন এবং বৈশাখী মেলা সহ নানান অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করেন। বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমের দৃষ্টি গোচরে আসে।সংবাদ কর্মীরা সত্য ঘটনা তুলে ধরলে,তাদেরকে বিভিন্ন ভাবে অপদস্থ করেন এ সুবিধা বাদী নেতারা।
এখন ভাবার বিষয়, তাহলে এ সকল আওয়ামীলীগের নেতারা কি সত্যিকার অর্থে মুক্তি যুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি ? নাকি জামাত-বিএনপির সহচর ? নাকী এ জাতীয় নেতারা তাদের নিজ স্বার্থ রক্ষার্থে সমাজে এমন বিভেদ সৃষ্টি করেন। প্রশ্ন রইল ” বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেক হাসিনার নিকট?