সারা দেশ

খাগড়াছড়িতে গ্রাম পুলিশের প্রভাব খাটিয়ে সরকারি জায়গা দখল, গাছ কর্তন।


নিজস্ব প্রতিবেদক:: খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলায় সরকারী টাউন হলের জায়গা (নিজের দাবী করে) দখল করতে গিয়ে অবৈধ ভাবে বিভিন্ন প্রজাতির বড় গাছ কাটছিল স্থানীয় গ্রাম পুলিশ আব্দুর রহিম (লোক্ক) নামের এক ব্যক্তি। পরে ৯৯৯ এ ফোনের পর সে জায়গা দখলের চেষ্টা ব্যর্থ হয় সে। রবিবার সকাল ১০টার দিকে গুইমারা উপজেলার টাউন হল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানায়, রবিবার সকালে গুইমারা উপজেলার গ্রাম পুলিশ সদস্য আব্দুর রহিম তার নিজের (গ্রাম পুলিশের) প্রভাব খাটিয়ে সরকারি টাউন হলের জায়গায় বিভিন্ন প্রজাতির বড় গাছ কাটছিল। বিষয়টি দৃষ্টি গোচর হলে সরকারি জায়গা দখলরোধে গুইমারা প্রেসক্লাবের যুগ্ম আহবায়ক ও খাগড়াছড়ির প্রবীণ সাংবাদিক নুরুল আলম বিষয়টি ফোন করে জানান ৯৯৯ নাম্বারে।

পরে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস এর মাধ্যমে গুইমারা উপজেলা নির্বাহী (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা (ইউএনও) বিভীষন কান্তি দাশ,গুইমারা থানার ওসি বিদ্যুৎ কুমার বড়ুয়া,গুইমারা ইউপি চেয়ারম্যান মেমং মারমাসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। এ সময় প্রশাসন তাৎক্ষনিক ভাবে কাজ বন্ধ করে দিয়ে সরকারি জায়গা দখলের চেষ্টা রোধ করেন এবং কর্তন করা গাছগুলো জব্দ করেন।

এ সময় টাউন হলের জায়গায় আশ্রয়ে থেকে এক বৃদ্ধামহিলা গাছগুলো লাগানোর কথা জানান প্রশাসনকে। এ সময় আশপাশের লোকমুখে বিষয়টির খোজ খবর নিয়ে দখলের চেষ্টাকারী আব্দুর রহিমকে শর্তক করে অভিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা বিরত না থাকলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারী জানানো হয়। সে এর আগেও একাধিক বার উক্ত জায়গা দখলের চেষ্টা করার অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করেছেন গুইমারা থানার ওসি বিদ্যুৎ কুমার বড়ুয়া।

গুইমারা উপজেলা নির্বাহী (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা বিভীষন কান্তি দাশ বলেন, জায়গাটি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। তবে টাউন হলের জায়গায় গাছগুলো কাটা হয়েছে অভিযোগে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত স্বাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।

এসময় স্থানীয়রা জেলার প্রবীণ সাংবাদিক নুরুল আলমের সাহসিকতার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং আরও বলেন আব্দুর রহিম গ্রাম পুলিশের প্রভাব খাটিয়ে মানুষের সাথে দুর্ব্যবহার করে মারামারি করতেন বলে জানান তারা।