আন্তর্জাতিক

সাংবাদিক নামধারী বিএনপি নেতার কর্মকান্ডে অতিষ্ট ইতালী আওয়ামী লীগ।।

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ইতালী বিএনপির সাবেক তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক সাংবাদিক নামধারী হাসান মাহামুদের কর্মকান্ডে অতিষ্ট হয়ে পড়েছে ইতালী আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতাকর্মীরা, এই হাসান মাহামুদ ইতিমধ্যে ইতালী আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক হাসান ইকবালের প্রধান পরামর্শদাতা হিসেবে ইতালী আওয়ামী লীগের তার মিশন বাস্তবায়ন করছে। তার পরামর্শে ইতালী আওয়ামী লীগে বিএনপি জামাত পন্থী অনুপ্রবেশকারী ঢুকে পড়েছে। কোনঠাসা হয়ে পড়েছিল ত্যাগী নেতাকর্মীরা। গত ১৫ই আগষ্ট ত্যাগী নেতাকর্মীদের দাবীর মুখে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সভাপতি ইদ্রিস ফরাজী কথিত সাংবাদিক হাসান মাহামুদ ও বিএনপি কট্টর সমর্থক মনিরুজ্জামানকে অনুষ্ঠান স্থল থেকে বের করে দেন। এবং তাদের আওয়ামী লীগের কোন অনুষ্ঠানে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। এর আগে ইতালী আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী সাংগঠনিক সম্পাদক তাকে লাঞ্ছিত করেন। সেই অপমানের শোধ নেওয়ার জন্য হাসান মাহামুদ সুকৌশলে ইউরোপ আওয়ামী লীগকে ব্যবহার করে। তিনি গভীর সম্পর্ক গড়ে তোলেন ইউরোপ আওয়ামী লীগের সভাপতি এম নজরুল ইসলামের সাথে। যার প্রমান স্বরুপ জনাব নজরুল ইসলামের সাথে তোলা একাধিক ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোষ্ট করেন। এবং সবাইকে এম নজরুল ইসলামের দোহাই দিয়ে সুবিধা নেয়ার চেষ্টা করেন। এবং বলে বেড়ায় যে ইউরোপ আ লীগ তার পর্রামশে চলে।ইতালী আ লীগ তার নির্েশ মতই হবে।এর ফলে মেয়াদোত্তীর্ণ ইতালী আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক হাসান ইকবাল হাসান মাহামুদকে আবার কাছে টেনে নেয়। শুরু হয় দলের মধ্যে কোন্দল। যার চুড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ঘটে গত ২৯ সেপ্টেম্বর, ইতালী আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলী আহাম্মদ ঢালীর সভাপতিত্বে সাধারন সভায়। এই সাধারন সভায় ইতালী আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাধারন সম্পাদক অবস্থা বেগতিক বুঝে অংশ নেননি। সভায় ইতালী আওয়ামী লীগের কমিটির সবাই বিক্ষুব্ধ হয় বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত হাসান ইকবালের প্রতি। উপস্থিত বক্তারা সবাই যার যার বক্তৃতায় হাসান ইকবালের সকল অপকর্মের অভিযোগ তুলে কমিটি ভেঙ্গে দেওয়ার শ্লোগান দেয়। বাধ্য হয়ে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কমিটি ভেঙ্গে দেন। এবং সকলের সম্মতিক্রমে ইতালী আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি জাহাঙ্গীর ফরাজীকে সভাপতি এবং যুগ্ম সাধারন সম্পাদক এ এ রব মিন্টুকে সাধারন সম্পাদক মনোনিত করেন। উল্লেখ্য হাজি ইদ্রিস ফরাজী বিগত ছয় বছর যাবত স্থায়ীভাবে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। তিনি সহ সভাপতি আলী আহাম্মদ ঢালীকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দিয়ে যান। এবং তিনি তার দায়িত্ব নিস্ঠার সাথে পালন করে যান।জনাব ইদ্রিস ফরাজী কোন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী যদি ইতালীতে আসে বা তার ব্যক্তিগত কাজে ২/৩দিনের জন্য অতিথি পাখির মত ইতালীতে আসেন। তিনি ইতালী আ লীগের সভাতিকে গুরুত্বহীন মনে করে শরিয়তপুর জেলা আ লীগের সহ সভাপতিকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে সেখানে মনোনিবেশ করেন। এদিকে সদ্য সাবেক জনাব হাসান ইকবাল হারানো পদ হারিয়ে দিশেহারা। তিনি বিএনপি নেতা কথিত সাংবাদিক হাসান মাহমুদ ও কট্টর বিএনপি মনিরুজ্জামানকে দিয়ে ইউরোপ আওয়ামী লীগকে ম্যানেজ করার চেষ্টা করছেন।